কুয়েত সরকারের আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষক  ছাড়া যাদের পাসপোর্ট অনুযায়ী ৬০ বছর হয়ে গেছে তারা কুয়েত ছেড়ে নিজ দেশে  চলে যেতে হবে।

পাসপোর্ট অনুযায়ী ৬০ বছর বেশি প্রবাসী দের কুয়েত আকামা নবায়ন হচ্ছে না। কুয়েত প্রবাসী পাসপোর্ট অনুযায়ী ৬০ বছর হয়েছে তাদের আকামা মেয়াদ  শেষ হওয়ার সাথে সাথে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। কুয়েতের অনেক রাজনীতিবিদ  কমিউনিটি নেতা ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি কুয়েত ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক  কমিউনিটি নেতা ও সমাজসেবক লিয়াকত আলী বিশ্বাস স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটি সভাপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা মোরশেদ আলম বাদল এর সভাপতিত্বে কুয়েত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক জাহিদ এর পরিচালনায় কুয়েত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক লিয়াকত আলী বিশ্বাস এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে গতকাল সোমবার রাতে কুয়েত সিটিতে  হলিডে ইন হোটেলে বিদায় সম্বর্ধনা আয়োজন করা হয়।

বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আশরাফ আলী ফেরদৌস, অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল হাই ভূঁইয়া ও জাতীয় পার্টি কুয়েতের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন খোকন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সাহাব উদ্দিন।

 অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ  কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান মন্ডল,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির  প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহাদ আম্বিয়া খোকন.  শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন,  এান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক কবির মিয়া, আইন সম্পাদক আকাশ আহমেদ প্রমুখ।

 বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক সংগঠন নেতৃবৃন্দর পক্ষ থেকে সংবর্ধিত অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ  কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটি অর্থ সম্পাদক লিয়াকত আলী বিশ্বাস কে ক্রেস্ট ও মানপত্র প্রদান করা হয়। পরে দলীয়  ও অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সম্মানে  রাতের নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/মিআচৌ-০৯