মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের কাপনাপাহাড় চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অজন্তি বাউরী অভিযোগ করেন- পঞ্চায়েত কমিটির নির্বাচিত সভাপতি প্রমেশ বাউরী বাগানের কাজ থেকে অবসর গ্রহণ করায় গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভাপতি পদ হারিয়েছেন। পদ হারিয়ে তিনি এখন বিভিন্ন ব্যক্তির নামে মিথ্যাচার করছেন।

তিনি সোমবার বিকেলে জুড়ী উপজেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

তার পক্ষে পঞ্চায়েত কমিটির অর্থ সম্পাদক নিরেন চন্দ্র বোনার্জী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের শ্রম অধিদপ্তর কর্তৃক গত ২৪শে আগস্ট ২০২১ইং তারিখের এক পত্রে উল্লেখ করা হয়- প্রমেশ বাউরী বয়স জনিত কারণে অবসর গ্রহণ করায় তিনি বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালনের কোনো সুযোগ নেই এবং পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সহ-সভাপতি পদাধিকার বলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এ চিঠির আলোকে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় প্রমেশ বাউরী প্রদত্ত চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সরকারি বরাদ্দের উপকারভোগীর তালিকা গ্রহণ করেনি। বিগত দিনে তিনি একক ক্ষমতাবলে তালিকা তৈরীতে শ্রমিকের নিকট থেকে জনপ্রতি ৩০০/৪০০ টাকা করে নিয়েছেন। তিনি সভাপতি না থাকা, তার তালিকায় বাগান ব্যবস্থাপক ও ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকায় সমাজসেবা কার্যালয় তার তালিকা গ্রহণ করেনি। এমতাবস্থায় তিনি গত ১১ই সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আমরা তার অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য শুকরাম রিকমন, বিশ্বজিৎ বোনার্জী, সঞ্জয় চাষা, খোকন কৃষ্ণ গোয়ালা, বিমলা বোনার্জী, আলোমতি বাউরী, অন্যদা চাষা, বাগানের মুরব্বিদের মধ্যে শুদাম গোয়ালা, রনজিত চাষা, দিগেন্দ্র চাষা, রতন রিকমন, গোপাল বার্মা, বাবুল চাষা, বিশ্বময় চাষা, রাধেশ্যাম পাশি, দিরেন্দ্র বোনার্জী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


সিলেটভিউ২৪ডটকম/এমএএল/এসডি-২৬