ব্যস্ততম সিলেট-ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবাধে চলছে নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক, সিএনজি অটোরিকশা ও লেগুনা।

মহাসড়কে এসব গাড়িগুলো বেপরোয়াভাবে চলাচলের ফলে প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। পুরো সড়ক যেন থ্রি-হুইলারের দখলে। পুলিশের সামনে দিয়ে শত শত ব্যাটারিচালিত রিকশা, সিএনজি, লেগুনা অবাধে চলছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিনে 'নিষিদ্ধ থ্রী-হুইলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ২২ মহাসড়ক' এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি হাইওয়ে পুলিশের দৃষ্টিগোচর হলে তারা নড়েচড়ে বসে।

পরে শনিবার সকাল ১০টা থেকে সিলেট-ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার আটকের অভিযান নামে হাইওয়ে পুলিশ। ওই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি পয়েন্টে আটক অভিযান চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাইওয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলের নির্দেশে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে শিমরাইল ক্যাম্প ও গাউছিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা এক যোগে অভিযান চালিয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম ও সিলেট মহাসড়কের সাইনবোর্ড, সানারপাড়, শিমরাইল মোড়, মদনপুর, মোগড়াপাড়া, তারাব, বরপা, রুপসী, ভুলতা ও গাউছিয়া এলাকায় ২ শতাধিক নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজি আটক করে। পরে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুসারে দুই হাজার পাঁচ শত টাকা প্রতি গাড়িকে জরিমানা করে মামলা দেওয়া হয়। এতে ৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, হাইওয়ে পুলিশের হেড কোয়ার্টারের নির্দেশে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কের ১০টি পয়েন্টে একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে। ২ শতাধিক নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজি আটক করে ৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মহাসড়কে অযান্ত্রিক যান মুক্ত রাখতে হাইওয়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশের শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই মশিউর রহমান, গাউছিয়া ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই সালাউদ্দিন, টিআই ওমর ফারুক ও টিআই মেহেদী হাসান প্রমুখ।


সিলেটভিউ২৪ডটকম / বাংলাদেশ প্রতিদিন / ডালিম