সিলেট নগরের টিভি গেইট এলাকায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে আরিফ আহমদ (১৯) নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এখনো কোন মামলা করা হয়নি হয়নি। তবে এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। মহানগরের পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্র্রেফতার করা হয়।

 


গ্র্রেফতারকৃতরা হলেন বাচ্চু মিয়ার ছেলে রনি (২১) ও কামাল মিয়ার ছেলে মামুন মজুমদার (২৮)। তারা দুজনেই সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিরন মাহমুদ নিপু গ্রুপের কর্মী।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মঈন উদ্দিন সিপন।

তিনি জানান, নিহত আরিফের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নগরীর শাহীঈদগাহ টিভিগেইট ও বালুচর এলাকায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে অনেক দিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এর জের ধরে সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে টিভিগেইট এলাকায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের ক্যাডাররা আরিফের উপর হামলা চালায়।

তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে রাস্তায় ফেলে যায় আরিফকে। স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। আইসিইউতে ভর্তির পর রাত দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার বাম হাত, উরু ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের ১২টি আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে আরিফের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৪ থেকে ৫ দিন আগেও হামলার শিকার হন আরিফ। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। জিডি করে ফেরার কয়েক ঘণ্টা পরই হামলা করা হয় তার উপর।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ নাজাত