উপমহাদেশের প্রাচীনতম দ্বীনি সংগঠন আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইসলাহী জোড় ও শেখবাড়ী জামিয়ার মাহফিল ২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে।

 


বাদ ফজর আমীরে আঞ্জুমান মুফতি মুহাম্মদ রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভী'র (পীর সাহেব বরুণা) উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে মাহফিল শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার মোট ৭টি অধিবেশনে ধারাবাহিক আলোচনা করেন- মুফতি জসীম উদ্দীন চট্টগ্রাম, মাওলানা সাইদুর রহমান বর্ণভী, মাওলানা ওলীউর রহমান বর্ণভী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী, মাওলানা আব্দুল কাদির বাগরখালী, মাওলানা শামসুল হক সরাইলী, মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল খালিক চলিতাতলী, মাওলানা ফজলুর রহমান মাধবপুরী, মাওলানা মুসা আল হাফিজ, মুফতি আবু তাহের জিহাদী, মুফতি আব্দুর রহমান জিহাদী, মুফতি আব্দুল্লাহ ফিরোজী, মুফতি মুজিবুর রহমান ফয়জী, মুফতি আব্দুল লতিফ ফারুকী প্রমুখ।

তিনদিনের এই জোড়ে ২৪ নভেম্বর শুক্রবার অধিবেশনে ধারাবাহিক আলোচনা করবেন- আল্লামা নুরুল ইসলাম খান সুনামগঞ্জী, মাওলানা সিবগাতুল্লাহ নূর বি-বাড়িয়া, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব ঢাকা, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজি ঢাকা, মুফতি হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী ঢাকা, মাওলানা মুমতাজ উদ্দীন বড়দেশী সিলেট, মাওলানা শেখ আহমদ আফজল বর্ণভী, মাওলানা শেখ সাদ আহমদ আমীন বর্ণভী প্রমুখ।

শনিবার সকাল ৯টায় পীর সাহেব বরুণার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তিন দিনের মাহফিল সমাপ্তি হবে।
মাহফিলের বিশাল মাঠে প্রায় লক্ষাধিক মুসল্লির শৃঙ্খলার জন্য হাজারখানেক স্বেচ্ছাসেবক টিম এবং নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী কাজ করছেন। এছাড়াও জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য রয়েছে অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প। বিশুদ্ধ খাবার  পানির জন্য রয়েছে আলাদা স্টল।

উল্লেখ্য, আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের সময়কালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার খ্যাতিমান বুযুর্গ খলীফায়ে মাদানী কুতবে দাওরান হযরত লুৎফুর রহমান বর্ণভী (পীর সাহেব বরুণা) সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। তার পর থেকে প্রায় ৯ দশক ধরে ইসলাহী এ সংগঠন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান এবং বর্তমান বাংলাদেশে মানবতার কল্যাণ, মুসলমানদের দ্বীন—ঈমানের সংরক্ষণ ও মানবিক মূল্যবোধের উজ্জীবনে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম /নাজাত