সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাওসার আহমদ চৌধুরী জকিগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।
 

শনিবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাব মিলানায়তনে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে যাচ্ছি। জীবন বাজী রেখে জামায়াত-বিএনপির অপরাজনীতির বিরুদ্ধে অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার পরিবার পাকিস্থানি বাহিনীর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বর্তমানে লন্ডনে থাকলেও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করছি। এলাকার জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রয়েছে আমার। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহযোগীতা করে আসছি। এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছি। চেষ্টা করে যাচ্ছি এলাকার অসহায় অবহেলিত জনগোষ্ঠির মুখে হাসি ফোটাতে। তাই এবার আমি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। আমি ছাড়াও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা যাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন তাঁকে বিজয়ী করতে আমি কাজ করে যাবো। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আবারও ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসাতে হবে।
 


মতবিনিময়ে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি আশা প্রকাশ করে আরও বলেন, আশা করি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার কাজের মুল্যয়ন করে দলীয় প্রার্থী আমাকে ঘোষণা করবেন। এমপি হতে পারলে সবাইকে নিয়ে অবহেলিত সিলেট-৫ জকিগঞ্জ-কানাইঘাটকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো। দুটি উপজেলার তরুণ সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে চাই। আমাদের নতুন প্রজন্ম যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মেধা বিকাশে স্বাক্ষর রাখতে পারে সেই পরিবেশও তিনি সৃষ্টি করবেন। দুটি উপজেলায় আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে। নদী ভাঙন রোধসহ বিরাজমান সমস্যা সমাধানে তিনি কাজ করে যাবেন বলে জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করেন।
 

এ সময় সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জকিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল খায়ের চৌধরী, সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত পাল, সাবেক সহসভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী হেলালী, কোষাধ্যক্ষ এনামুল হক মুন্না, অফিস সম্পাদক কেএম মামুন, প্রচার সম্পাদক মোর্শেদ আলম লস্কর, নির্বাহী সদস্য আল হাছিব তাপাদার, সদস্য রিপন আহমদ, আবু বকর ফয়সল, সংবাদকর্মী ওমর ফারুক, জাহাঙ্গীর সাহেদ প্রমূখ।
 

রাজনীতিবিদগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কাওসার চৌধুরীর বড় ভাই বেলাল আহমদ চৌধুরী, জকিগঞ্জ পৌরসভা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল গণি, সাধারণ সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন সুহেল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএজি বাবর, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামরুজ্জামান কমরু, যুবলীগ নেতা শহীদুল ইসলাম সুহেল, কামরুজ্জামান কাওসার, আছকার আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি জুনেদ আহমদ, সাবেক সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, পৌরসভা ছাত্রলীগ সভাপতি তামিম আহমদ রাফে, উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাজু আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক শাহারিয়া আহমদ সাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ আহমদ, পৌরসভা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাকিবুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা দিদারুল ইসলাম, রুমেল আহমদ, আব্দুস সবুরসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।


 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/হাছিব/এসডি-৬২৯