কানাডার টরোন্টোর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের দিকে রওয়ানা হওয়ার জন্য উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল এয়ার কানাডার একটি বিমান। রানওয়েতে বিমানের চাকা ঘোরার প্রস্তুতি নেওয়ার আগ মুহূর্তেই বিমান থেকে লাফিয়ে পড়েন ওই বিমানের এক যাত্রী।


এই ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। যাত্রীর এমন  কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। ঠিক কী কারণে হুলস্থুল কাণ্ডটি তিনি ঘটিয়েছেন তাও আজানা। 



গত ৮ জানুয়ারি টরন্টোর পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার কানাডার বোয়িং ৭৪৭-এর দুবাইয়ের উদ্দেশে উড়ে যাওয়ার কথা ছিল। বিমানের ইঞ্জিন যখন পুরোমাত্রায় চলছে, শুধুমাত্র চাকা ঘোরার কয়েক সেকেন্ডের অপেক্ষা, আচমকাই কেবিনের দরজা খুলে যায়। তারপর তা থেকে নিচে ঝাঁপিয়ে পড়েন এক ব্যক্তি। 


বিমানের ভেতরে বাইরে এই ঘটনা নিয়ে হইচই পড়ে যায়। যাত্রীরা হতবাক। গোলমাল মিটিয়ে আবার দুবাইয়ের দিকে যাত্রা করতে এয়ার কানাডার বিমানটির ৬ ঘণ্টা সময় লাগে।


কেন ওই যাত্রী আচমকা ঝাঁপ দিলেন, তা জানা যায়নি। তার চোট এতটাই গুরুতর যে কথা বলার অবস্থাতেও তিনি নেই। 


পিয়ারসন বিমানবন্দরে বিমান থেকে ঝাঁপ দিয়ে প্রায় ২০ ফুট নিচে পড়েন ওই ব্যক্তি। বিমান সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, যখন সব যাত্রীরা বিমানে উঠছিলেন, তখন নিয়ম মেনেই আর পাঁচ জনের মতো বিমানে উঠে নিজের নির্দিষ্ট আসনে বসেছিলেন ওই ব্যক্তি। তার পরে যে কী হল তা বোঝা যাচ্ছে না।


এই ঘটনার পৃথক তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও বোঝা যাচ্ছে না, ওই যাত্রী যখন বিমানের দরজা খুলতে উদ্যত হন, তখন বিমানকর্মীরা কী করছিলেন?

সূত্র: এবিপি


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক