ফাইল ছবি।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা কে বলা হয় ‘বিদ্যুতের এলাকা’। চা-বাগান ছাড়াও দেশের বৃহত্তম সারকারখানা থাকায় ফেঞ্চুগঞ্জকে শিল্পাঞ্চলও বলা হয়। উপজেলায় রয়েছে ৫টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। কিন্তু বিদ্যুৎ বিড়ম্বনায় নাকাল ফেঞ্চুগঞ্জবাসী!


গত রোববার সিলেটজুড়ে ঝড়ের তান্ডবে বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন,খুটি ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ২০ঘন্টারও বেশি সময় ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। সোমবার রাত ৯টার দিকে বিদ্যুৎ সচল হলেও আসা যাওয়া ছিল নিয়মিত। এই বিপর্যস্ততায়ও যোগ দিয়েছে লোডশেডিং! রমজান মাস চলছে। বেড়েছে তাপমাত্রা এর মধ্যে বেড়েছে লোডশেডিং।  ব্যবসা বানিজ্যের ক্ষতির পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শিশু বৃদ্ধ সহ সকল শ্রেণীর মানুষ।



খোজ নিয়ে জানা যায়- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা চাহিদার থেকে অর্ধেক কম পাচ্ছে বিদ্যুৎ! যে কারনে লোডশেডিং করতে হচ্ছে ২৪ঘন্টায় ১২ঘন্টা!

 

ফেঞ্চুগঞ্জ জোনাল বিদ্যুৎ অফিস সুত্রে জানা যায় ফেঞ্চুগঞ্জে ৩টি সাব স্টেশনে বিদ্যুৎ এর চাহিদা ৯৫এমপিআর। আজ মঙ্গলবার এই উপজেলায় বিদ্যুৎ বরাদ্দ চাহিদার অর্ধেক অর্থাৎ ৪৫এম্পিআর। এত অল্প বিদ্যুৎ দিয়ে সব দিক সামাল দিতে গিয়ে লোডশেডিং বেড়েছে।

 

উপজেলার মানুষ গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।অনেকেই ক্ষোভ ঝাড়ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অন্যদিকে দেখা যায় উপজেলার অন্যান্য এলাকার তুলনায় উত্তর জনপদের দুইটি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিড়ম্বনা হচ্ছে বেশি। এটাকে বৈষম্য বলে আখ্যায়িত করছেন উত্তর জনপদের মানুষ। এ নিয়ে গত দুই বছর প্রতিবাদ আন্দোলনও হয়েছিল।কিন্তু স্থায়ী কোন সমাধান হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ ফেঞ্চুগঞ্জ সদর এলাকা থেকে  এই এলাকায় লোডশেডিং বেশি হয়। তাছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ত্রুটি দেখা দিয়ে মেরামত করতেও সময় ক্ষেপন করা হয়।

 

এসব ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জ এরিয়ার ডিজিএম জিল্লুর রহমান সুহেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লোডশেডিং বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন এটা সিলেটের জিএম স্যার বলতে পারবেন! ফেঞ্চুগঞ্জে বিদ্যুৎ এর চাহিদা কত? বরাদ্দ কত? এই প্রশ্নের উত্তর তিনি জানেন না বলে জানান!

 

সিলেটের জিএম আকতারুজ্জাম লস্করের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেন নি।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম / ফরিদ / মাহি