প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি বলেন, ১৪ মে আমাদের আওয়ামী লীগ পরিবারের নেতাকর্মীদের জন্য আরেক কালো অধ্যায়। ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের হাতে দেশের অনেক রাজনৈতিক নেতা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সেই নির্যাতনের বিভীষিকা আজও অনেকের মনে দগদগে ঘা হয়ে আছে। জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতনের জঘন্য সাক্ষী প্রবাসী নেতৃবৃন্দসহ সিলেট আওয়ামী লীগের ৪০ জন নেতাকর্মী।

 


 

তিনি মঙ্গলবার (১৪ মে) রাত ৮টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের হাতে সিলেটে আওয়ামী লীগের ৪০জন  নেতাকর্মীর কারা নির্যাতনের ১৭ বছর উপলক্ষে আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথাগুলো বলেন। 

 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে কেটেছে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস। ঘটনার আজ ১৭ বছর পার হলেও এখনো সেই ভয়ংকর স্মৃতির কথা মনে হলে শিউরে ওঠেন অনেকে। ১/১১ সরকার মাইনাস টু ফর্মুলা নয়, মূলত আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী নেত্রী শেখ হাসিনাকে মাইনাস করতে চেয়েছিল। কারাগারে আমাদেরকে বিভিন্ন সংস্থা বারবার সেনা সমর্থিত সরকারকে সমর্থনের বিনিময়ে মুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকি। জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশ থেকে কেউ কোনো কিছুর বিনিময়ে আমাদের সরাতে পারেনি কোনো দিন, ভবিষ্যতেও পারবে না।

 

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট নাসির উদ্দীন খানের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জগলু চৌধুরীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব ও সাবেক রাষ্ট্রদূত সৈয়দ শাহেদ রেজা।

 

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আশফাক আহমেদ, এডভোকেট শাহ মোশাহিদ আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন ইসলান কালাম, মোহাম্মদ আলী দুলাল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ শমসের জামাল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আজমল আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট আব্বাছ উদ্দিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বুরহান উদ্দিন, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ এপতার হোসেন পিয়ার, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. শাকির আহমদ শাহিন, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী, ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, নুরে আলম সিরাজী, ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান, বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসিনা বেগম, সাবেক সভাপতি আল আজাদ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিয়াকত শাহ ফরিদী, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসার আজিজ, সিলেট চেম্বারের সাবেক সভাপতি এ টি এম শোয়েব সিকদার, খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরশ আলী গণি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ছফু আহমদ, কারানির্যাতিত মিজান খান প্রমুখ।  

 

এসময় কারাবন্দী সময়ের স্মৃতিচারণ করেন, ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অরুনোদয় পাল ঝলক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সামছুল ইসলাম মিলন, ওসমানীনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম টিপু।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম চৌধুরী টুনু।

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ পল্লব/ নাজাত