জাতীয় নেতা প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও বর্তমান সাংসদ ড. জয়া সেনগুপ্তার একমাত্র সন্তান প্রকৌশলী সৌমেন সেনগুপ্তের উদ্যোগে শাল্লার গোবিন্দ চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি জেনারেটর ও মেডিক্যালে একটি সোলার আইপিএস এবং একটি ফ্রীজ প্রদান করেছেন।

 


 

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকালে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে শাল্লা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অরিন্দম চৌধুরী অপুর মাধ্যমে এই সামগ্রীগুলো হস্তান্তর করা হয়। 

 

জেনারেটর গ্রহন করেন গোবিন্দ চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিপাল দাশ ও সহ: প্রধান শিক্ষক সজল চন্দ্র সরকার। অন্যদিকে আইপিএস ও ফ্রীজ গ্রহন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যশোবন্ত ভট্টাচার্য, মেডিকেল অফিসার রাজীব বিশ্বাস, ওমর ফারুক, তামিম হোসেন ও নার্স ইনচার্জ সাহিদা আক্তার।  

এব্যাপারে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যশোবন্ত ভট্টাচার্য জানান, এটা যুগান্তকারী একটা উদ্যোগ। আমাদের মাননীয় এমপি স্যারের ছেলে হাসপাতালে সুদৃষ্টি দিয়েছেন এটা আমাদের সবার জন্য গর্বের বিষয়। এই এলাকায় প্রায় সময় কারেন্ট না থাকায় ইমার্জেন্সি রুমে চিকিৎসা দিতে সমস্যা হয়। এই অবস্থা পরিলক্ষিত করে উনি (সৌমেন সেনগুপ্ত) ইমার্জেন্সি রুমে একটি সোলার আইপিএস দিয়েছেন। যাহা কারেন্টের চার্জ ব্যতীত সূর্যের আলোর মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী। পাশাপাশি নার্সিং স্টেশনে বিভিন্ন ঔষধ সংরক্ষণের জন্য একটি ফ্রীজও দিয়েছেন। এগুলো আমাদের চিকিৎসার কাজে সবার জন্য সুবিধা বয়ে আনবে।

 

গোবিন্দ চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিপাল দাশ মিল্টন বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কাজে ব্যবহারের জন্য জেনারেটর খুব প্রয়োজন ছিল। আমাদের এমপি মহোদয়ের ছেলে সৌমেন সেনগুপ্ত ৮হাজার কিলোওয়াট সম্পন্ন বড় একটি জেনারেটর দিয়েছেন। এতে আমাদের কম্পিউটার ল্যাবসহ স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা ভূমিকা রাখবে।

 

শাল্লা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অরিন্দম চৌধুরী অপু বলেন, আমাদের প্রয়াত নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও বর্তমান এমপি ড. জয়া সেনগুপ্তার একমাত্র সন্তান প্রকৌশলী সৌমেন সেনগুপ্ত দাদা এলাকার মানুষের জন্য নিরবে নিভৃতে অনেক কাজ করে যাচ্ছেন৷ এলাকার প্রতিটি দুর্যোগে উনি দেশে না থাকলেও বিভিন্নভাবে মানুষকে সাহায্য করেছেন। সৌমেন সেনগুপ্তের উদ্যোগে উনার নির্দেশনায় দিরাই থেকে এনে একটি জেনারেটর, সোলার আইপিএস ও ফ্রীজ স্কুল ও হাসপাতালে হস্তান্তর করেছি।

 

আমার বাবা ও মায়ের আবেগের জায়গা হচ্ছে এই এলাকার মানুষ। আপনারা আমাদের প্রতি যে ভালবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি চেষ্টা করছি শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন সহ এলাকার সার্বিক জনকল্যাণে কাজ করতে। আপনারা আমাকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে এলাকার মানুষের সুবিধার্থে যেকোন কাজ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি বলে জানান প্রকৌশলী সৌমেন সেনগুপ্ত।

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম / নাজাত