সিলেটের গোলাপগঞ্জে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট। এসব হাটে শত শত গরু উঠলেও বিক্রি হচ্ছে একেবারে কম। চলমান বন্যা ও সম্প্রতি শিলাবৃষ্টির প্রভাব পড়েছে  এসব পশুর হাটগুলোতে। আশানূরূপ গরু বিক্রি না হওয়ায় অনেকটা হতাশ হয়ে পড়েছেন গরু খামারি ও মৌসূমী গরু বিক্রেতারা।

জানা যায়, উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে রয়েছে ৩৩টি কোরবানি পশুর হাট। উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ মাদ্রাসা মাঠ, সরকারী এমসি একাডেমী স্কুল ও কলেজ মাঠ, ভাদেশ্বরের মীরগঞ্জ মাূ্দ্রাসা মাঠ ও পুরকায়স্থ বাজার এর মধ্যে অন্যতম পশুর হাট। এসব হাটগুলোতে ছোট বড় শত শত গরু উঠলেও বিক্রি হচ্ছে একেবারে কম। অন্যদিকে আগের চেয়ে গরুর দাম একটু কম বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।


শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মীরগঞ্জ পশুর হাট সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, হাটে শত শত গরু সারিবদ্ধ ভাবে নিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। এ হাটে লোকজন আসলেও কিন্ত তেমন একটা বিক্রি হচ্ছেনা।

বাজারে আসা অনেক ক্রেতা বলেন, গরুর দাম তেমন একটা বেশী নয়। দাম হয়ত আরও কমবে।

গরু ব্যবসায়ীরা জানান, গরুর দাম তেমন একটা বেশী নয়, তারপরও বিক্রি হচ্ছে একেবারে কম। হয়ত আরও ২-১দিনের মধ্যে ব্যবসা জমজমাট হতে পারে।

সম্প্রতি শিলাবৃষ্টি ও চলমান বন্যার কারণে পশুর হাট গুলোতে ভাটা পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গরুর হাটের ইজারাদার সেলিম উদ্দিন ও সুজন চন্দ্র শর্মা বলেন, মীরগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটে দাম তেমন নয়। তারপরও ব্যবসা একেবারে মান্দা।

তবে ঈদের আগ মুহুর্তে হয়ত ব্যবসা চাঙ্গা হতে পারে বলে তারা মনে করেন।


 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/হারিছ/এসডি-৫২৯০