পাহাড়ি ঢলে উপর্যুপরি বেশ কয়েকটি বন্যায় গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাওঁ ইউনিয়নের নন্দিরগাওঁ গ্রামীণ সড়কটির কার্পেটিং উঠে বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের বেশির ভাগ অংশে নেই কার্পেটিং। অনেক জায়গায় ইট উঠে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে এ সড়কে চলাচলে ভোগান্তির শেষ নেই পথচারীদের।
 

২০১৯ সালের শুরুর দিকে এ রাস্তাটি সংস্কার করা হয়। কিন্তু তিন বছরের মাথায় গোয়াইনঘাট উপজেলায় স্মরণ কালের ভয়াবহ বন্যায় সড়কটির ব্যাপক ক্ষতি করে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে গর্তের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে একাধিক বন্যায় কার্পেটিং উঠে  সড়কটি বেহাল হয়ে পড়ে। সড়ক সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী বারবার সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট  আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি।
 


সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বেশির ভাগ অংশে নেই কার্পেটিং। অনেক জায়গায় ইট উঠে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচলে বেগ পেতে হয়। গাড়ি চলছে হেলে-দুলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নন্দিরগাওঁ গ্রামীণ  সড়ক দিয়ে প্রতিদিন নন্দিরগাওঁ, মানাউরা গ্রাম সহ হাওরাঞ্চলের  শতশত  মানুষ চলাচল করে। ভাঙা সড়কের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
 

নন্দিরগাওঁ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল খালিক  বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। তবে সড়কটি বেহাল হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই। যত ভোগান্তি এলাকার লোকজনের।’

মানাউরা গ্রামের বাসিন্দা ও ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এত দিন কোনো উপায়ে চলাচল করা যেত। কিন্তু চলতি বর্ষা মৌসুমে  এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হয়। এতে এলাকার হাজারো মানুষ অসুবিধায় পড়েছে। জানা যায় নন্দিরগাওঁ গ্রামটি গোয়াইনঘাট উপজেলার একটি পুরাতন গ্রাম।

১৯৬০ সালে নন্দিরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিষ্ঠার পূর্ব থেকে নন্দিরগাঁও  গ্রাম ছিল। এ গ্রামের নামানুসারে নন্দিরগাঁও ইউনিয়ন নাম করণ করা হয়।  প্রাচীন এ গ্রামটির ঐতিহ্য রক্ষায় দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন ছাত্রনেতা কে,এম শাহীন আহমদ।
 

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২২ সালের স্মরণ কালের ভয়াবহ বন্যার পাশাপাশি চলতি বন্যায় গোয়াইনঘাট উপজেলার এলজিইডির প্রায় ৯০ কিলোমিটার সড়কের বিছিন্ন ভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উক্ত সড়কগুলো সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষে অবগত করেছি।


 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/মতিন/এসডি-৫২৯১