ছবি : শাহীন আহমদ।

একদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। তাই তো শেষ সময়ে জমে উঠেছে সিলেট নগরীর সকল পশুর হাট। সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বলছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সিলেট আসা গরু বিক্রেতারা। তবে নগরীর নির্ধারিত পশুর হাট থাকলেও নগরীর বিভিন্ন রাস্তা ঘাটে পশু বিক্রি হচ্ছে অবাধে। এতে তৈরী হচ্ছে যানজট। আর ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

 


এদিকে অবৈধ পশুর হাট ও রাস্তাঘাটে পশু দাড় করিয়ে বেচা-বিক্র বন্ধে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তৎপর রয়েছে সিলেট সিটি কর্তৃপক্ষও।

 

সিলেট মাহানগরের ৮টি স্থানে পশুর হাটে জমে ওঠেছে বেচা-বিক্রি। হাটগুলো ক্রেতা-বিক্রেতায় সরগরম। ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক। খামারি ও বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বেশি থাকায় অতিরিক্ত দামে পশু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

 

সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে- রাস্তাঘাটে গরু-ছাগল নিয়ে দাড়িয়ে আছেন বিক্রতারা। এরমধ্যে কেউ কেউ দরদামও করছেন। অনেক স্থানে যানজটও তৈরী হতে দেখা গেছে। এদিকে বিকেলে পশুরহাটে গরুর সরবরাহ বেড়েছে। তবে ক্রেতা কিছু কিছু হাটে বেচা-বিক্রি কম। আশানুরূপ দামে গরু বিক্রির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন অনেকেই। বিভিন্নস্থানে পুলিশকে তৎপর হতেও দেখা গেছে।

 

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিলেটভিউকে বলেন, নগরীতে নির্ধারিত পশুর হাট ব্যতিত অবৈধ হাট কেউ বসালে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের টিমগুলো কাজ করছে। একই কথা জানিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশেনের জনসংযোগ বিভাগ।

 

এবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত মহানগরের ৮টি স্থানে বসবে অস্থায়ী পশুর হাট। মহানগরের টুকেরবাজার (তেমুখী পয়েন্ট সংলগ্ন খালি জায়গা), মাছিমপুর কয়েদির মাঠের খালি জায়গা, মেজরটিলা বাজার-সংলগ্ন খালি জায়গা, শাহপরাণ পয়েন্ট সংলগ্ন খালি জায়গা, টিলাগড় পয়েন্ট সংলগ্ন খালি জায়গা, শাহী ঈদগাহস্থ খেলার মাঠের পেছনের অংশ, সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন এস ফল্ট মাঠ ও দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন ট্রাক টার্মিনালে কুরবানির অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে।

 

সিলেট বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেটে এবার কোরবানির ঈদে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ২৫১ পশুর চাহিদা রয়েছে। তবে বিভাগজুড়ে জবাইয়ের জন্য ৪ লাখ ৩০ হাজার ৩৯৭টি গবাদি পশু প্রস্তুত রয়েছে। উদ্বৃত্ত আছে ৩৬ হাজার ১৪৬ পশু।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম / মাহি