কোরবানির ঈদের বাকি আর মাত্র একদিন। সিলেটের অনেকের কোরবানির পশু কেনা শেষ হয়েছে। নগরীতে এখন মসলার দোকানগুলোতে ভিড়  বেড়েছে। তাই শেষ সময়ে জমে উঠেছে মসলা বাজারের বেচাকেনা। তবে মসলার দাম বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
 

শনিবার (১৫ জুন) নগরীর মদিনামার্কেট, সুবিদবাজার, রিকাবীবাজার, আম্বরখানা, কালিঘাটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।


কালীঘাটের মসলাপণ্যের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭৬ থেকে ৮৩ টাকায়। অন্যদিকে ভারত থেকে আমদানি হওয়া পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭৭-৮৫ টাকায়। কয়েক দিন আগেও প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজের দাম ছিল ৭০ থেকে ৭৭ টাকা আর আমদানীকৃত ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিতে ৭২-৮০ টাকা।
 

বাজারে মসলা কিনতে আসা নগরীর জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ সাইফুল জানান, এই ঈদে  সব কিছুর দাম বাড়ছে। বাজারের উপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রন নেই। আসলে বেশি মুনাফা করার জন্য ব্যবসায়ীদের এটি একটি বাহানা মাত্র। তিনি সরকারের প্রতি ঈদের আগে বাজার নিয়ন্ত্রনের দাবি জানান।
 

কালীঘাটের ব্যবসায়ী মো. জসিম উদ্দিন জানান, কোরবানি ঈদের আগে সবাই স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক গুণ পেঁয়াজ সংগ্রহ করে, যা পাইকারি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ভারতের পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা ঘাটতি রয়েছে।
 

ক্রেতারা বলছেন, প্রকারভেদে বিভিন্ন মসলার দাম গত কোরবানির ঈদের চেয়ে এবার ৫ থেকে ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে এলাচের দাম। গত বছরের তুলনায় মসলাটির দর দ্বিগুণের কাছাকাছি। মানভেদে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকা। গত বছর দর ছিল ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা।
প্রতিকেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯০০ টাকা।
 

মসলা ক্রেতারা জানান, কোরবানিতে মসলার চাহিদা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি থাকে। সেই চাহিদা পুঁজি করে প্রতিটি বাজারে ব্যবসায়ীরা মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বাড়িয়েছে।

ঈদকে সামনে রেখে সিলেটের সব পাইকারি ও খুচরা বাজারে বেড়েছে মসলার দাম। এতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। স্থান ভেদে ৫ থেকে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে ঈদের মসলার পণ্যগুলোতে। নগরীর পাড়া-মহল্লায়ও একই চিত্র।


 


সিলেটভিউ২৪ডটকম / মাহি /এসডি-৫৩১৫