সিলেটের গোলাপগঞ্জে ৫ম বারের মতো বন্যা হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে পড়েছেন পাহাড়ি ঢলের কারণে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে প্লাবিত হয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল এলাকা হিসেবে পরিচিত উপজেলার শরীফগঞ্জ, বাূেপাশা, বুধবারীবাজার, বাদেপাশা, ঢাকাদক্ষিণ, ভাদেশ্বর, বাঘা, ফুলবাড়ী ও পৌরসভার একাংশ। এসব এলাকার শত শত লোকজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

 



এদিকে টানা বর্ষণের ফলে পাহাড় ও টিলার পাদদেশে বসবসকারী লেকজন রয়েছে টিলাধসের ঝুঁকিতে। চলতি বন্যায় উপজেলার পৌর এলাকা ২টি ও লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নে একটি টিলা ধসে মারাত্বক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন লেক। অব্যাহত বৃষ্টির ফলে টিলা ধসের ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসন রয়েছে সতর্ক অবস্থানে। 

 

এ নিয়ে টিলা ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবসকারী লোকজনদের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন এক আবেগঘণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। এতে উপজেলাবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

 

উপজেলা প্রশাসন ফেইসবুক পেইজে দেয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুনের স্ট্যাটাসটি নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো-


‘সম্মানিত গোলাপগঞ্জবাসী অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার সুরমা, কুশিয়ারা সহ সকল হাওরে পানি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। টিলা ও পাহাড় ধ্বসের  সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিপদজনক টিলার তালিকা প্রস্তুত করে লাল 'নিশানা' দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছ এবং উক্ত এলাকার মানুষদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য মাইকিং ও সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম  গ্রহণ করা হয়েছে। সকলকে সতর্ক থাকার 'বিনীত' অনুরোধ জানাচ্ছি। 
গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ৫৭ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য ট্যাগ অফিসার, মেডিকেল টিম, উপজেলার কুইক রেসপন্স টিম কাজ করছে। আমাদের কন্ট্রোলরুম ২৪ ঘন্টা আপনাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে রান্না খাবার সহ সরকারি সহায়তা  প্রদান করা হচ্ছে। সকলের সহযোগিতায় আমরা গোলাপগঞ্জ এর মানুষকে ভালো রাখবো ইনশাআল্লাহ।’

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম / হারিছ / ডি.আর