সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। 

 


বুধবার (১৯ জুন) কুশিয়ারা নদী (ফেঞ্চুগঞ্জ)  এর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ১০.৪৫ মিটারে অবস্থান করছিলো। যা বিপদসীমা থেকে ১মিটার (৩ফিট) বেশি।

 


এর কারনে পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলার নতুন নতুন এলাকায় আক্রমণ করছে। বন্যার আক্রমণের শিকার এই উপজেলার ৫টি ইউনিয়নই।

 

 

এর মধ্যে উপজেলার নিম্নাঞ্চল,নদীপার এলাকা ও হাকালুকি হাওর ঘেষা এলাকার অবস্থা বেশি অবনতি।

 


ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের মধ্য বাজার ও পুর্ববাজার ডুবে আছে দুদিন ধরে। 

 


হাসপাতাল রোড ও আশপাশের কয়েকটি সরকারি দপ্তর, ফার্মেসি, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস,জনস্বাস্থ্য উপ প্রকৌশলী অফিস ইত্যাদিও তলিয়ে গেছে।


ফেঞ্চুগঞ্জ থানারোড থেকে পুর্ব বাজার হয়ে  ১নং ইউনিয়নের অনেকগুলো গ্রাম বন্যা আক্রান্ত।


একই ভাবে আক্রান্ত মাইজগাও,উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ও উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের অনেক এলাকা।


কারো বাড়িঘরে কারো রাস্তায় পানি। মানুষ ছাড়াও বিপাকে পড়েছে গবাদি পশুরা।


অন্যদিকে উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের মল্লিকপুর হাজী করম উল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের সড়ক টপকে   কুশিয়ারা নদীর পানি হুহু করে ঢুকছে মল্লিকপুর হাওরে। যে কারনে এই পানির কারনে মল্লিকপুর থেকে ইলাশপুর ভায়া সড়কটি তলিয়ে যাবার আশংকা বেড়েছে। এই সড়কটি তলিয়ে গেলে সিলেটের সাথে বিস্তৃত অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে।

 

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমরা ২৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলেছিলাম এখন লোকজন অন্য আরেকটায় উঠায় মোট আশ্রয় কেন্দ্র হয়েছে ৩৯টি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যগন, বাজার বনিক সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ সম্মিলিত ভাবে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে খাবার সহ অন্যান্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। তা ছাড়া ৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের কাছে জিআর এর চাল পাঠানো হয়েছে। তারা প্রয়োজন দেখে বাড়িতে বাড়িতে বিতরণ করবেন।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডি.আর