সিলেটে বাইশের বন্যার পর এবারও ভেঙেছে বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ। অনেকস্থানে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটারও কর্ণপাত করেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন পাউবো কর্মকর্তা।
 

জেলায় বন্যার পানিতে ২৫ কিলোমিটার বাঁধের বিভিন্ন স্থানে আনুমানিক ৭০-৮০টি স্থান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যা এখনও পুরোপুরি নির্ধারত করতে পারেনি পাউবো।


পাউবোর একটি সুত্র জানিয়েছে, জেলাজুড়ে অসংখ্য বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকেছে।বন্যার পানি নেমে গেলেই শুরু হবে বাঁধ সংস্কার কাজ। সংস্কারকাজের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২০ কেটি টাকা।
 

জানা গেছে, সুরমা-কুশিয়ারা নদীবেষ্টিত সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের (ডাইক) ২৮টি স্থান মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই সিলেট-৫ আসন জকিগঞ্জ- কানাইঘাটের সংসদ সদস্য মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী সুরমা-কুশিয়ারা নদীর ঝুঁকিপূর্ণ ডাইক পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামত করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ডিও লেটারও দিয়েছিলেন। তারপরও পানি উন্নয়ন বোর্ড ডাইকে কাজ করেনি। এতে বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই জকিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পরপর দু'বার ডাইকের ৭ টি স্থান দিয়ে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে বন্যার সৃষ্টি করে। এ নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ওপর চরম ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষসহ জনপ্রতিনিধিগণও।
 

সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ সিলেটভিউকে বলেন, বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ কতগুলো ভেঙেছে তা এখনও পুরোপুরি নির্ধারন করা হয়নি। তবে আনুমানিক সিলেট জেলা ২৫ কিলোমিটার বাঁধের বিভিন্ন স্থানে আনুমানিক ৭০-৮০টি স্থান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সংস্কারকাজের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২০ কেটি টাকা।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম / মাহি /এসডি-৫৪৯৪