পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, র্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনাবাসী ভারতীয়রাও (নন রেসিডেন্ট ইন্ডিয়ান-এনআরআই) মার্কিন সরকারকে এ বিষয়ে অনুরোধ জানিয়েছে। আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান।
গত বছরের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং বাহিনীটির সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।
এ প্রসঙ্গটি টেনে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা হওয়ার পর আমরা তাঁদের সাহায্য চেয়েছি। তাঁরা আমাদের প্রতি সদয় ছিলেন। তাঁরা বলেছেন ওটা তুলবেন। যুক্তরাষ্ট্রে অনাবাসী ভারতীয়র সংখ্যা ৪৫ লাখ। তাঁরাও বেশ প্রভাবশালী। তাঁরাও এটি (নিষেধাজ্ঞা) মার্কিন সরকারকে অনুরোধ করছেন প্রত্যাহারের জন্য। এটা সম্ভব হয়েছে প্রতিবেশী ভারত বন্ধুরাষ্ট্র বলে। আমরা তাঁদের অনুরোধ করেছি, সাহায্য চেয়েছি। যাঁরা (অনাবাসী ভারতীয়) উদ্যোগ নিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় তাঁদের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে।’
এর আগে গত রোববার রাজধানীর এক আলোচনায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা ছাড়া র্যাবের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।
পিটার হাসের এ বক্তব্যের প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি যা বলেছেন, সেটা ঠিক আছে। তাঁরা জবাবদিহির কথা বলেছেন। আমাদের তো অভ্যন্তরীণ জবাবদিহির ব্যবস্থা আছে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অন্যায়ের জন্য কয়েক শ র্যাব কর্মকর্তার চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। তাদের কাছে এসব বিষয় ঠিকমতো পৌঁছায় না। আমাদের উল্টো দল যারা, তারা শুধু মৃত্যুর খবর তাদের কাছে পৌঁছায়, কোন প্রেক্ষিতে হয়েছে, সেটা আর বলেন না।’
যুক্তরাষ্ট্রের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাখ্যায় তারা সন্তুষ্ট না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ব্যাখ্যায় এখনো হয়তো সন্তুষ্ট হয়নি। আগামী দিনে হয়তো হবে।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরআই-কে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.