সিলেটের জৈন্তাপুর টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে বন্যায় উপজেলার ৬ ইউপি প্লাবিত হয়েছে।
সারী ও বড় নয়াগং নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বিপদ সীমার ২০ দশমিক ০৭ সেন্টিমিটার উপরদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের অব্যহত বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে নিজপাট, জৈন্তাপুর, চারিকাটা, ফতেহপুর, দরবস্ত ও চিকনাগুলো ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যায় আটকে পড়া লোকজন গৃগপালিত পশু নিয়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যায় পরিস্থিতি ও বন্যায় আটকা পড়াদের খোঁজ খবর নিতে এলাকা পরিদর্শন করেছেন জনপ্রতিনিধিগন এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা।
.jpg)
সরেজমিনে বন্যা কবলিত এলাকা গুলো হল মেঘলী, বন্দরহাটি, লামাপাড়া, ময়নাহাটি, মোরগাহাটি, জাঙ্গালহাটি, মজুমদারপাড়া, নয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, গোয়াবাড়ী, তিলকৈপাড়া, বড়খেল, ফুলবাড়ী, ডিবিরহাওর, ঘিলাতৈল, মাস্তিং, হেলিরাই, মুক্তাপুর, মোয়াখাই, বিরাইমারা, গড়েরপার, বিরাইমারা হাওর, লামনীগ্রাম, কাটাখাল, খারুবিল, চাতলারপাড়, ডুলটিরপাড়, শেওলারটুক, ১নং লক্ষীপুর, ২নং লক্ষীপুর, আমবাড়ী, ঝিঙ্গাবাড়ী, কাঠালবাড়ী, নলজুরী হাওর, বালিদাঁড়া, রামপ্রসাদ, থুবাং, বাউরভাগ উত্তর, বাউরভাগ দক্ষিণ, বনপাড়া, থুবাং, রামপ্রসাদ, লালা, ছাতারখাই, কঞ্জর, সেনগ্রাম, নয়াখেল, হাটিরগ্রাম, বিড়াখাই ও গাতিগ্রাম।
উপজেলা সর্ববৃহৎ সারীনদী ও বড় নয়াগাং নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে সারী নদীর পানি বিপদসীমার ২০ দশমিক ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানান সারী-গোয়াইন বেড়ীবাঁধ প্রকল্পের কর্মকর্তা মো. আলা উদ্দিন। তিনি আরও বলেন গত দুদিন হতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে বৃষ্টি থামলে পানি নিচের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়োছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল বশিরুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদ জানান, বন্যায় প্লাবিত এলাকা সমুহের খোঁজ খরব রাখা হচ্ছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরকেএস/এসডি-৩২
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.