প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২২ ১২:৪৮ (শনিবার)
সিলেট নগরীতে জায়গার বিরোধে মা-মেয়েকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

সিলেট নগরীতে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন এক মা ও তার শিশু মেয়েকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। আহত মা ও মেয়ে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গত শনিবার সকালে নগরীর গোয়াইপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- গোয়াইপাড়ার জি এম নজরুল ইসলামের স্ত্রী হোসনা বেগম ও তার মেয়ে মাহজাবিন ইসলাম ইশা।

এ ঘটনায় নগরীর বিমানবন্দর থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন হামলার শিকার হোসনা বেগম।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোয়াইপাড়া এলাকার শেখ শফিকুল ইসলাম ও তার ছেলে আব্দুল্লাহ শফি সায়িদ ওরফে ডুম শাহেদের সাথে জি এম নজরুল ইসলামের জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। আব্দুল্লাহ শফি সায়িদের নেতৃত্বে গত ১৪ জুলাই নজরুল ইসলামের বাসায় হামলা হয়। এতে তিনি আহত হন, দুদিন চিকিৎসা নেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন নজরুল ইসলাম। পরে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয় প্রতিপক্ষের লোকজন।

এজাহার থেকে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে জিএম নজরুল ইসলামের স্ত্রী হোসনা বেগমের উপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষের শেখ শফিকুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুল্লাহ শফি সায়িদ ওরফে ডুম শাহেদ, আব্দুল্লাহ শফি সামি পল্লব ও আব্দুল্লাহ শফি শওকত রাশেদ। ধারালো অস্ত্রে হোসনার বাম চোখের উপর ও নিচে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তাকে মারধরও করা হয়। তার আর্তচিৎকারে এগিয়ে আসে শিশু মেয়ে মাহজাবিন ইসলাম ইশা। ওই সময় তাকে লাথি মারে হামলাকারীরা। তার দুই হাঁটু থেতলে গেছে।

আহত হোসনা বেগম ও মাহজাবিন ইসলামকে প্রথমে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে চোখে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হোসনাকে গতকাল সোমবার ঢাকার চক্ষু হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, এ ঘটনায় হোসনা বেগম যে লিখিত এজাহার বিমানবন্দর থানায় দেন, সেটি মামলা হিসেবে প্রথমে রেকর্ড করেনি থানা পুলিশ। পরে তার পরিবার এসএমপি কমিশনারের শরণাপন্ন হয়। কমিশনারের নির্দেশে এজাহার মামলা হিসেবে রেকর্ড করে থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ওসি খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, মামলা রেকর্ড হয়েছে। তদন্ত করে জড়িতদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/পিডি/আরআই-কে