(প্রতীকী ছবি)
চাহিদার তোলনায় সরবরাহ অর্ধেক, তাই সিলেটে বিদ্যুতে দিনের ২৪ ঘণ্টার অর্ধেক সময়ই লোডশেডিং হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশে কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) থেকে সিলেটসহ সারা দেশে এলাকাভিত্তিক ২৪ ঘণ্টায় ১-২ ঘণ্টা করে রুটিন লোডশেডিং করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কিন্তু প্রথম দিনই সিলেটে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে লোডশেডিংয়ের শিডিউলে।
সরকারি নির্দেশনার পর সিলেটে বিদ্যুৎ বিভাগে ৪ ঘণ্টা করে লোডশেডিংয়ের সময়সূচি প্রকাশ করলেও দুদিন থেকে ৭-৮ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকছে না নগরীসহ সিলেট জেলার বেশিরভাগ এলাকায়। এর কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ বলছে- চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেক হওয়ায় লোডশেডিংয়ের শিডিউলে এমন বিপর্যয়। তারা বলছেন- সরবরাহ বাড়ানো না হলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টাই লোডশেডিং হতে পারে সিলেটে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির সিলেটভিউ-কে বলেন, সিলেটে বিউবো’র বিক্রয় ও বিতরণের ১ থেকে ৫ বিভাগে চাহিদার ৭০ শতাংশ সরবরাহ ধরে সিডিউল করতে বলা হয়েছিলো। সে অনুযায়ী আমরা এলাকাভেদে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা লোডশেডিং রেখে রোস্টার (রুটিন) করেছিলাম। কিন্তু এখন অর্ধেক বিদ্যুতও সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শিডিউল বিপর্যয় ঘটছে।
তিনি বলেন, বুধবার (২০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সিলেট জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিলো ১৩১ মেগাওয়াট, কিন্তু পেয়েছি ৭৪ মেঘাওয়াট। আর বিভাগে চাহিদা ছিলো ২২৬ মেঘাওয়াট, কিন্তু পেয়েছি ১১৪ মেঘাওয়াট। ফলে ৫০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এ কারণে শিডিউলে বিপর্যয় ঘটছে।
একই বিষয় বললেন সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী দিলীপ চন্দ্র চৌধুরী। তিনি সিলেটভিউ-কে বলেন, বুধবার সকালে আমাদের চাহিদা ছিলো ৭২ মেঘাওয়াট। সরবরাহ পেয়েছি মাত্র ৩৮ মেগাওয়াটের মতো। তাই এখন দিনে ৮/৯ ঘণ্টা লোডশেডিং করতে হচ্ছে। আর এমন অবস্থা চলমান থাকলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘন্টাই লোডশেডিংয়ে যেতে হবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.