৪১০ রানের লক্ষ্য। ব্যাট করতে নামার আগে এমনিতেই হেরে বসেছিলো যেন বাংলাদেশ। তবুও বড় রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটারদের কাছ থেকে যে দায়িত্বশীল ব্যাটিং আশা করেছিলো সবাই, তার ছিটেফোটাও দেখা গেলো না।
বরং, একের পর এক উইকেট হারিয়ে ৩৪ ওভারে ১৮২ রান তুলতেই অলআউট হয়ে গেলো বাংলাদেশের ব্যাটাররা। যার ফলে ২২৭ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয় বরণ করে নিতে হলো টাইগারদের। ভারতের ওপেনার ইশান কিশান একা যে রান (২১০) তুললো, তার চেয়েও ২৮ রান কম করেছে পুরো বাংলাদেশ দল।
সাকিব আর হাসান সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন। ২৯ রান করেন লিটন দাস। ইয়াসির আলী রাব্বি ২৫ এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আউট হন ২০ রান করে। শেষ দিকে তাসকিন আর মোস্তাফিজের দৃঢ়তা পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমিয়েছিলো শুধু। তাসকিন অপরাজিত থাকেন ১৭ রানে। ২টি ছক্কা মারেন তিনি। ১৩ রান করে আউট হন মোস্তাফিজ।
আগের দুটি ম্যাচ মেহেদী হাসান মিরাজের একক কৃতিত্বে বলা যায় জিতেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচেই অসাধারণ ব্যাটিং এবং বোলিং করেছেন তিনি। তার কারণে প্রথম ম্যাচে নিশ্চিত হারতে বসা ম্যাচটিতে জিতেছিলো টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচেও ৬৯ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অসাধারণ একটি সেঞ্চুরি করে ম্যাচ বাঁচিয়েছিলেন তিনি।
আজ দিনের শুরুতেই যেন হেরে গিয়েছিলো টাইগাররা। একটি সিদ্ধান্ত ভুল নেয়ার কারণে শুধু। চট্টগ্রামের ব্যাটিং উইকেটে টস জেতার পরও ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়াটা যে কত বড় ভুল ছিল, তা ভারতীয়দের ব্যাটিং দেখেই বোঝা গেছে। ইশান কিশান ও বিরাট কোহলি বুঝিয়ে দিয়েছেন, এই উইকেট থেকে কিভাবে রান তুলতে হয়।
ইশান কিশান একাই ২১০ রান করেন (১৩১ বলে)। ১১৩ রান করে আউট হন বিরাট কোহলি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-২১
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.