বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বিজয়ের চেতনায় এ মাসের শুরু থেকেই জাতীয় পতাকার ব্যবহার বেড়ে যায়। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে পতাকা ক্রয় বিক্রয় বেড়ে যায়। এ কারণে এসময় পতাকা তৈরির ও বিক্রির ধুম পড়ে যায়।
সিলেটেও তার বিকল্প নয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লা ও স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে শহরের অলিগলিতে মৌসুমি পতাকা বিক্রেতারা হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি করছেন দেশের লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা।
বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, গাড়িতে, রিকশায়, এমনকি মোটরসাইকেলের লাল-সবুজের পতাকা পতপত করে উড়তে থাকে। এজন্য সিলেটেও চলছে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম।
.jpg)
লাল সবুজের পতাকায় লুকিয়ে আছে আবেগ। শিবগঞ্জের বাসিন্দা দীপ্ত বলেন, ১৯৭১ সাল তো দেখতে পারিনি তবে, লাল-সবুজের পতাকা দেখলেই যেন হৃদয়ে এক ধরনের আবেগ কাজ করে। এ পতাকা আমাদের অস্তিত্বের। এ পতাকার জন্য আমরা আজ স্বাধীনতার সাথে চলাচল করছি। বিজয়ের এই উল্লাসে লাল-সবুজ শুধুমাত্র দুইটি রঙই নয়, এ যেন অনুভূতির আরেক নাম।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেটের চৌহাট্টা শহীদ মিনার ও বন্দর বাজর এলাকা ঘুরে দেখাযায়, বেশ কয়েকজন হাতে করে পতাকা বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীরা বলেন, এই দিনে পতাকা বিক্রি বিক্রি বেড়েযায় কয়েকগুন।
পতাকা বিক্রেতারা মো. খোকন বলেন, ঢাকা থেকে আরো ৩ দিন আগে সিলেটে আসেন শুধু পতাকা বিক্রির জন্য। বিজয়ের মাসে বাড়ির ছাদ ও গাড়ির সামনে জাতীয় পতাকা টানিয়ে রাখেন অনেকেই। ১৬ ডিসেম্বর সব অফিস ও প্রতিষ্ঠানেও উড়ানো হয় জাতীয় পতাকা। বিজয়ের মাসে জাতীয় পতাকার চাহিদা থাকে বেশি। তাই এই মাসে বিভিন্ন জায়গায় যাই পতাকা বিক্রি করতে।
.jpg)
প্রতি বছরের মতোই এবার এসেছি সিলেটে। পতাকা আর স্টিকার বিক্রি করি, তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বিক্রি অনেক কম।
১৪ বছর বয়সী হৃদয় বন্দরবাজার পতাকা বিক্রি করছে। সে সারা বছর সিলেট শহরে বেলুন বিক্রি করে। বিজয়ের মাস আসলেই বেড়িয়ে পরে পতাকা হাতে নিয়ে। সে জানায়, ভালোই চলছে পতাকা বিক্রি। বিকেল থেকে হাজার পাঁচশো টাকার ছোট পতাকা আর স্টিকার বিক্রি করেছে সে।
আকারভেদে প্রতিটি পতাকার জন্য কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩০০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/নাজাত/এসডি-২১
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.