মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। এতে হাড় কাঁপানো শীতে কাবু চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা।
ভাড়াউড়া চা বাগানের গীতা রবিদাস জানান, আমার পক্ষে গরম কাপড় কেনার সামর্থ নাই। শীত নিবারনে এসব পরিবার সদস্যরা ঘরের ভেতরে ও বাইরে খড়খুঁটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে সময় কাটান।
চা বাগান কর্তৃপক্ষ, সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগেও এখনও কোন শীতবস্ত্র বিতরণ । চা বাগানের প্রায় ৮৫ শতাংশেরই খুবই দু:খ-কষ্টে দিনযাপন করতে হচ্ছে বলে শ্রমিকদের অভিযোগ করেন।
দেওছড়া চা বাগানের শ্রমিক সন্তান রাজু রবিদাস বলেন, প্রচন্ড শীতে খুবই কষ্ট ভোগ করছি।
কৃষি শ্রমিক তাহির মিয়া বলেন, এই ঠান্ডায় প্রচন্ড কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। আমাদের আয় রোজগার নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় সংসারের খরচ যোগাবো না গরম কাপড় কিনবো?
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সহকারী মো. আনিসুর রহমান বলেন,সোমবার দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা তেতুলিয়াতে ৯ ডিগ্রি আর শ্রীমঙ্গলে ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীত বাড়ছে জেলায়। আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী, তাপমাত্রা কমতে থাকায় আগামীতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া সহকারী খলিলুর রহমান জানান, রবিবার (১ জানুয়ারি) সারাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গল এবং তেঁতুলিয়াতে ১০ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে, ২১ ডিসেম্বর সারাদেশের মাঝে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে, ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও ২৬ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গল এবং তেতুলিয়া যৌথভাবে সারাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/সাইফুল/এসডি-১৯
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.