প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩ ২১:১৪ (রবিবার)
চেঞ্জমেকার অ্যাওয়ার্ড পেলেন আ.লীগ নেতা সাদরুল

বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল তিন দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক জলবায়ু ভিত্তিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত  'গ্লোবাল চেঞ্জমেকার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩'-এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় উদীয়মান রাজনৈতিক নেতা ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটির সদস্য, স্কোয়াড্রন লীডার (অব.) সাদরুল আহমেদ খান।

 

তিনি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ার উপজেলার প্রয়াত উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল লতিফ খানের পুত্র। তাকে জুরি বোর্ড বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য এ অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত করেছে।

 

বিশেষকরে গত বন্যায় তৃণমূল পর্যায়ে তাৎক্ষণিক দুর্গতদের ত্রাণ বিতরণ, বন্যা পরবর্তী মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য শষ্যবীজ বিতরণ ইত্যাদি পদক্ষেপগুলো বিবেচনায় তাকে এ অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত করা হয়।

 

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকায় একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি।

দিনব্যাপী সেমিনার শেষে তিন দেশের বিজয়ী প্রার্থীদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

অ্যাওয়ার্ডে পেয়ে সাদরুল বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় বলেন- তৃণমূল কর্মীই আওয়ামী লীগের প্রাণ। আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য হয়ে আমার নিজ এলাকা কুলাউড়া উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের মানোন্নয়নের গুরুত্ব আরোপ করি।

 

আমার সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ আর জাতীয় সংসদে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে এলাকার তৃণমূল পর্যায়ে নিজের সাধ্যমতো কাজ চালিয়ে যাই। তবে চেষ্টা করেছি কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার। আর এই কাজের জন্যই আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমার কাজের জন্য এটা অবশ্যই একটা স্বীকৃতি, তবে সবচেয়ে বড় পাওয়া মানুষের ভালোবাসা। আর এটা সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগের মতো ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলের ছায়াতলে কাজ করতে পারায়। আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি আমার সব উদ্যোগে নিজ মতামত দিয়েছেন। কিছুকিছু বিষয়ে সভাপতির সম্মতিও নিয়েছেন। সবমিলিয়ে এটা ছিল একটা টিম ওয়ার্ক, তাই আমার এই প্রাপ্তিটা সকলের।


জুরি বোর্ড যেসব কর্মকাণ্ডগুলোকে নজরে রেখেছিল: ভূকশিমইল ইউনিয়নে হাকালুকি হাওরে সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কুলাউড়া উপজেলাব্যাপী ৬৫০০ নিমগাছ রোপণ। কুলাউড়া উপজেলার বন্যাদুর্গত ইউনিয়নসমূহে বন্যার্ত মানুষের জন্য ত্রাণ বিতরণ। কুলাউড়ায় বন্যার্ত আশ্রয়কেন্দ্রসমূহে শুকনো খাবার বিতরণ ও রুটি তৈরি করে বিতরণ।

 

কুলাউড়ায় বন্যার্ত আশ্রয়কেন্দ্রে নারী স্বাস্থ্য উপকরণ ও শিশু খাদ্য বিতরণ। বন্যা পরবর্তী সময়ে বন্যার্ত ইউনিয়নসমূহে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ। কুলাউড়া উপজেলার সকল ইউনিয়নে শীতকালীন শাকসবজীর বীজ বিতরণ। ১৬ ডিসেম্বর কুলাউড়া উপজেলার চা বাগানসমূহে শিশু সমাবেশের আয়োজন, চা বাগানের শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/অনি/এসডি-১৯