প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৩ ২১:২১ (বুধবার)
কংগ্রেসে বাংলাদেশের প্রশংসার রেজ্যুলেশন পাসে লবিংয়ের আহ্বান

মহান স্বাধীনতার ৫২ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে গত ২৯ মার্চ বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে এই অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে রেজ্যুলেশন উত্থাপনকারী কংগ্রেসম্যান জো উইলসনকে অভিনন্দন জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ১৫৩ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

রোববার (২৩ এপ্রিল) বিবৃতিতে ওই রেজ্যুলেশন পাসের জন্য নিজ নিজ এলাকার কংগ্রেসম্যানের সঙ্গে লবিংয়ের জন্যে প্রত্যেক প্রবাসীকে আহ্বান জানানো হয়েছে। 

উল্লেখ্য, রেজ্যুলেশন উত্থাপনকারী কংগ্রেসম্যান উইলসন কংগ্রেসে পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির প্রভাবশালী সদস্য এবং কংগ্রেসনাল বাংলাদেশ ককাসেরও কো-চেয়ার।


বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিজ্ঞানী, গবেষক, অধ্যাপক, প্রকৌশলী, কবি, সাহিত্যিক, কলামিস্ট ছাড়াও রয়েছেন সিটি মেয়র, স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ, সিটি কাউন্সিলম্যান এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীরা নানাভাবে সহায়তা করছি এবং আমরা সর্বান্তকরণে আশা করছি যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বর্তমানের উন্নয়ন-অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন, নিউহ্যামশায়ার স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ (রিপাবলিকান) আবুল খান, মেলবোর্ন সিটি মেয়র (ডেমক্র্যাট) মাহাবুবুল আলম তৈয়ব, নিউজার্সির প্লেইন্সবরো সিটির কাউন্সিলম্যান এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিক-বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুননবী, মেলবোর্ন সিটির কাউন্সিলম্যান নুরুল হাসান, হ্যামট্রমিক সিটির কাউন্সিলম্যান আবু আহমেদ মুসা, পেনসিলভেনিয়ার ড্রেক্সেল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, কলামিস্ট ও লেখক হাসান ফেরদৌস, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পানি বিজ্ঞানী ড. সুফিয়ান এ খন্দকার, বিজ্ঞানী ও লেখক ড. আশরাফ আহমেদ, বীর প্রতিক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) মঞ্জুর আহমেদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মনসুর, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মিয়া, সিনিয়র সাংবাদিক ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় এবং কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান, মূলধারার রাজনীতিতে প্রবাসীদের পথিকৃত মোর্শেদ আলম, আমেরিকা-বাংলাদেশ এলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ার এম এ সালাম, বস্টন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবু হাসনাত, ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ইকবাল ইউসুফ, ফ্লোরিডাস্থ বাই-ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সিকিটিভ ভাইস চেয়ার আতিকুর রহমান, ফ্লোরিডাস্থ পামবীচের বাংলাদেশি-আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হাসান জাহাঙ্গির, ফ্লোরিডা ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুসন কমিটির ভাইস চেয়ার জুনায়েদ আকতার, নিউইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মহসিন পাটোয়ারি, ফেডারেল গভর্নমেন্টের বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আদনান মোর্শেদ, হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. হেমায়েত উল্লাহ, ওয়াশিংটন সাব-আরবান স্যানিটারি কমিশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার ড. মাহবুব প্রামাণিক, নিউইয়র্কে রকোফেলার ইউনিভার্সিটির রিসার্চ স্পেশালিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ কর, লেখক পূরবী বসু, সাহিত্যিক জ্যোতি প্রকাশ দত্ত, কবি-কলামিস্ট ফকির ইলিয়াস, কবি ফারহানা ইলিয়াস তুলি, কবি সৈয়দ মামুনুর রশীদ, কবি আবু সাঈদ রতন, ইউএসবিসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট লিটন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি, বীর মুক্তিযোদ্ধাআবুল বাশার চুন্নু, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু। 
 

বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেছেন নিউইয়র্কে কম্যুনিটি লিডার আলিম খান আকাশ, ড. বামন দাসবসু, বিজ্ঞানী, বস্টন, শাফেদা বসু, কমিউনিটি লিডার, ইশতিয়াক রুপু, কবি, নিউইয়র্ক; মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী নেতা, জর্জিয়া; মিন্টু রহমান, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; নাদিরা রহমান, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; গোলাম মহিউদ্দিন, মিউজিশিয়ান জর্জিয়া; নজরুল ইসলাম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; ফারুক আহমেদ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; মহিন, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; মোহাম্মদ মাওলা,কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়; মো. আলী হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জর্জিয়া; আবুল হাসান, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; আহমাদুর পারভেজ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; আরেফিন বাবুল, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; ড. মোহাম্মদ নাসিম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; মাহমুদ আব্বাস, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; রেজা করিম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; ড. শাহাব সিদ্দিকী, সার্ভিস হোল্ডার অ্যান্ড সোস্যাল, জর্জিয়া; মোহাম্মদ আকবর খান, সাংবাদিক ও সামাজিক নেতা, জর্জিয়া; নজরুল ইসলাম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; রুমি কবির, লেখক এবং কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; পিন্টু ইউসুফ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; নুরুল কবির নাহিদ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; মোজাম্মেল, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; মশিউর রহমান, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; রাসেল ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; আরেফিন পিয়াল, শিক্ষক এবং কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; মাহরুফুর ভূঁইয়া, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; বোরহানউদ্দিন, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; রাশেদুল করিম, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; বিন্দু হোসেন, কন্ঠশিল্পী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া; ড. ফারুক আজম, চিকিৎসক, নিউজার্সি, সাখাওয়াত আলী, কম্যুনিটি লিডার, মোহাম্মদ আলী বাবুল, নিউইয়র্ক; ড. আব্দুল বাতেন, নিউইয়র্ক; মিশুক সেলিম, কবি, নিউইয়র্ক; খালেদ শরফুদ্দিন, কবি, নিউইয়র্ক; সফেদা বসু, কম্যুনিটি লিডার, বস্টন; জাকারিয়া চৌধুরী, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক; তাজুল ইমাম, শিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, দস্তগীর জাহাঙ্গির, সাংবাদিক, ভার্জিনিয়া; হারুন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভার্জিনিয়া, শিতাংশু গুহ, মানবাধিকার সংগঠক ও সাংবাদিক, নিউইয়র্ক; নবেন্দু দত্ত, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক; কৌশিক আহমেদ, সাংবাদিক ও সম্পাদক, ড. দীলিপ নাথ, মূলধারার সংগঠক, নিউইয়র্ক; ফাহিম রেজা নূর, লেখক, নিউইয়র্ক; আব্দুর রহিম বাদশা, ব্যবসায়ী নেতা, নিউইয়র্ক; অধ্যাপক ড. দেলওয়ার হোসেন, আলাবাম, ড. মহসিন আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক,নিউইয়র্ক; বেলাল বেগ, সমাজ-চিন্তক এবং লেখক, নিউইয়র্ক; হাসান আল আব্দুল্লাহ, কবি ও শিক্ষক, নিউইয়র্ক; লুৎফুন্নাহার লতা, অভিনেত্রী ও শিক্ষক, নিউইয়র্ক; নিনি ওয়াহেদ, শিক্ষক ও কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক; রাফায়েত চৌধরী, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক; সিরাজ আহমেদ, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক; সউদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নিউইয়র্ক; ড. মনোয়ার হোসেন, বিজ্ঞানী, নিউজার্সি; নাহিদ চৌধরী, ব্যবসায়ী, নিউজার্সি; মীর চৌধুরী, কম্যুনিটি লিডার, নিউজার্সি; গোলাম ফারুক ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, নিউজার্সি; ড. হাসান মামুন, শিক্ষক, নিউজার্সি; ড. জীনাত নবী, বিজ্ঞানী, নিউজার্সি; বেদারুল ইসলাম বাবলা, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক; মাহাবুব রেজা রহিম, কম্যুনিটি লিডার, আরিজোনা; রেহান রেজা, ডেমক্র্যাট, ক্যানসাস; জাহেদুল মাহমুদ জামি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ক্যালিফোর্নিয়া; মমিনুল হক বাচ্চু, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া; তৌফিক সুলেমান খান, ব্যবসায়ী, ক্যালিফোর্নিয়া; নজরুল আলম, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া; অধ্যাপক ড. আবু নাসের রাজিব, ক্যালিফোর্নিয়া; মো. রফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা, ক্যালিফোর্নিয়া; ইঞ্জিনিয়ার তাসনিম সালাম আসলাম, ক্যালিফোর্নিয়া; ড. আনিসুল আসলাম, চিকিৎসক, ক্যালিফোর্নিয়া; মিজানুল কবির, শেরিফ অফিসার, ক্যালিফোর্নিয়া; মোহাম্মদ হোসেন রানা, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া; আহাদ আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার, মিশিগান; আলী আহমেদ ফারিশ, কম্যুনিটি লিডার, মিশিগান; রুহুল আমিন, ব্যবসায়ী, মিশিগান; আব্দুল মুহিত মুক্তা, ব্যবসায়ী, মিশিগান; মহসিন উদ্দিন টিপু, ব্যবসায়ী, মিশিগান; মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন টিপু, কম্যুনিটি লিডার, মিশিগান; শ্যামল চক্রবর্তী, কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, নিউইয়র্ক, প্রাণবন্ধু চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার, নিউইয়র্ক; ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফজলুল হক, নিউইয়র্ক; পরিমল কর্মকার, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক; ঝর্ণা চৌধুরী, সাংস্কৃতিক-সংগঠক, নিউইয়র্ক; সৈয়দ রশীদ আহমেদ কারমানি; বিজনেসম্যান, নিউইয়র্ক; রোকসানা কারমানি, প্রফেশনাল,নিউইয়র্ক; ফারুক আহমেদ, বিজনেসম্যান, নিউইয়র্ক; দিলারা আহমেদ, কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, নিউইয়র্ক; আহমেদ তৌকিদ চৌধুরী, ছাত্র, নিউইয়র্ক; ইঞ্জিনিয়ার সানিয়েট আহমেদ চৌধুরী, নিউইয়র্ক; তৌজিয়াত চৌধুরী, পিএইচডি স্টুডেন্ট, নিউইয়র্ক; শ্যারেভ আহমেদ, প্রফেশনাল,নিউইয়র্ক; রন্টুলাল দাস, পেশাজীবী, নিউইয়র্ক; আবুল হাসনাত রায়হান, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া; আসাদুজ্জামান বাচ্চু, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া; সন্তোষ বড়ুয়া, লেখক ও কবি, ভার্জিনিয়া; নুপুর চৌধুরী, ভার্জিনিয়া, রবিউল করিম বেলাল, পেনসিলভেনিয়া; ড.আহসান চৌধুরী হিরো, টেক্সাস; হাসমত মবিন, টেক্সাস; শাহ হালিম, টেক্সাস; স্বাপ্নিক খান, টেক্সাস; মাসুদ চৌধুরী, ক্যালিফোর্নিয়া; রেদোয়ান চৌধুরী, ডিসি এবং আবুল বাশার ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিউইয়র্ক।

উল্লেখ্য, রেজ্যুলেশনটি উত্থাপনের সময় কংগ্রেসম্যান জো উইলসন ৫১ বছর আগের পরিস্থিতি মনে করিয়ে দেন। এতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর তখন সবে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা পেয়েছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন বাংলাদেশিরা। এরপর ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দরিদ্র দেশ থেকে দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হওয়ার পথে বাংলাদেশের গত পাঁচ দশকের যাত্রা ছিল অভাবনীয়। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বাংলাদেশিদের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৭ ডলারে, যা এখন প্রতিবেশী অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৯ বিলিয়ন ডলার। গত ৫ দশকে তা বেড়ে ৪৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গড় আয়ু ৪৭ বছর থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৩ বছর। শিক্ষার হারও ৭৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এসব অর্জনকে অভাবনীয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করা হয়েছে।

আরো বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদন, দুর্যোগ সহনশীলতা, দারিদ্র্য কমিয়ে আনা, স্বাস্থ্য-শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন খাতে নজরকাড়া অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে একটি উদারপন্থি মুসলিম সমাজ বিদ্যমান। উগ্রবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের অর্জন প্রশংসনীয়। দেশটির জনগণ বরাবরই স্বৈরাচারী শাসন না মেনে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি সমর্থন বজায় রাখতে চেয়েছে বলেও এই বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) সবচেয়ে বড় উৎসও যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তাজনিত সহযোগিতার মাধ্যমে দেশটি মার্কিন অর্থনীতির বিকাশে ভূমিকা রাখছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
 

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করে রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে গণহত্যার মুখে থাকা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এ জন্য আমেরিকার জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশ। এই সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থমূল্যের মানবিক সহায়তা দিয়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ নেতৃত্বের আসনে রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে বেশি শান্তিরক্ষী মোতায়েন করে মার্কিন জনগণের প্রশংসা পেয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ-দুই দেশই মানুষের সঙ্গে মানুষের এবং সরকারের সঙ্গে সরকার পর্যায়ে উন্নয়নের অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে। এমনকি করোনা মহামারি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে টিকা সহায়তা দেওয়ায় মার্কিন জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

এসব পরিস্থিতি ও ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা ও স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে এই রেজ্যুলেশন উত্থাপন করা হয়েছে। বিলে বর্তমান ও ভবিষ্যতে পারস্পরিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের গঠনমূলক অংশীদার থাকার আন্তরিক দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/পল্লব-১৭