প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৩ ২১:১৯ (মঙ্গলবার)
দোয়ারাবাজারে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভুলে দাখিল পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার: প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ইসলামপুর ছিদ্দিকয়া দাখিল মাদরাসার সুপার ও কেরানির ভুলের কারণে চলমান দাখিল পরীক্ষার চতুর্থ দিনে (৭ মে রোববার) ২০ হাজার টাকা জরিমানা সহ পরীক্ষার্থী রুহুল আমিনকে বহিষ্কার করা হয়।
 

অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনায় মাদরাসা সুপার এটিএম শামসুদ্দিন ও কেরানি আলী আকবরের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিসহ স্বেচ্ছায় পদত্যাগসহ অপসারণের দাবিতে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সচেতন এলাকাবাসী বৃহত্তর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
 

সোমবার (৮ মে) বিকাল ৩টায় মাদ্রাসার সম্মুখস্থ সড়কে সমাজসেবক আব্দুল মান্নান ফকিরের সভাপতিত্বে ও মাওলানা আবুল হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- মাদ্রাসার  প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের আহবায়ক পীর মাওলানা গোলামুর রহমান জিলানী, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কাদির, পেকপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা আবুল হোসাইন, পল্লী চিকিৎসক মোক্তার হোসেন, দাখিল পরীক্ষার্থী মনির হোসেন, বহিষ্কারকৃত পরীক্ষার্থী রুহুল আমিন, তার পিতা আব্দুল ওহাব,  সূরুজ মিয়া, আসমত আলী, আব্দুল বারেক, মুক্তার হোসেন প্রমুখ।
 

বক্তারা বলেন, ১৯৭৩ সাল থেকে সুনামের সাথে পরিচালিত হওয়া ওই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সুপার এটিএম শামসুদ্দিন ও কেরানি আলী আকবর যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়ম দুর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতার আখড়ায় পরিণত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সুপার ও কেরানির ঘুস-বাণিজ্যের কারণে ইতিমধ্যে অনেক ছাত্রছাত্রীর জীবন ধ্বংস হওয়া ছাড়াও অনেকেই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছেন। একই নিয়মে চলিত সনের দাখিল পরীক্ষার্থী হতদরিদ্র রুহুল আমিনও পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার হওয়ায় তার শিক্ষা জীবন হুমকির মুখে। শুধুমাত্র তাদের স্বেচ্ছাচারিতা ও গাফিলতির কারণে অকালে ঝরে গেল তার শিক্ষা জীবনের ১০টি বছর। তাই আমরা ওই মাদ্রাসার অসাধু সুপার ও কেরানির দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিসহ তাদের সেচ্ছাচারিতা, দুনীতি এবং চাঁদাবাজির কারণে স্বেচ্ছায়  পদত্যাগসহ তাদের অপসারণের জোর দাবি জানাই।
 

পরিশেষে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে শিগগির বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেবেন বলে হুসিয়ারি দিয়েছেন বক্তারা।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/তাজুল/এসডি-১৬৫