ছবি : পল্লব ভট্টাচার্য্য
আর ৬দিন পরেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মন্ডপে মন্ডপে চন্ডীপাঠের মাধ্যমে মর্ত্যলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে দেবী দুর্গাকে। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি অনেক পূজামন্ডপে চলছে সাজসজ্জার বর্ণিল আয়োজন। প্রতিমার সৌন্দর্য্যতা চাকচিক্য নিয়ে বিভিন্ন পূজামন্ডপের মধ্যে চলছে নিরব প্রতিযোগিতা।
২০ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে শুরু হবে পূজা। পূজার প্রধান উপাদান প্রতিমা তৈরির মাধ্যমে সিলেটের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় শুরু হয়ে গেছে দেবীর আগমনী উৎসব। প্রতিমার মূল কাঠামো তৈরি শুরু হয়েছে ভাদ্র মাসের শুরু থেকেই। মাটির প্রলেপের কাজও শেষ। এখন চলছে দেবীর সাজসজ্জার কাজ।
রাতদিন এক করে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন সিলেটের প্রতিমা শিল্পীরা।
সিলেট নগরীর কালীবাড়ি, দাড়িয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় দেবী দুর্গার প্রতিমার পাশাপাশি কাজ চলছে পূজা মণ্ডপেও। কেউ দেবী দুর্গার চুল ঠিক করছেন, কেউ শাড়ি পরাচ্ছেন, কেউবা আবার তুলির আঁচড়ে রাঙিয়ে নিচ্ছেন দেবী দুর্গাকে।
প্রতিমাশিল্পীরা জানান, পূজার আর বেশি দিন বাকি নেই, হাতে সময় অনেক কম। এখন রং করা ও সাজসজ্জা করা হচ্ছে। সঠিক সময়ে গ্রাহকদেরকে মূর্তি হস্তান্তর করতে হবে। তাই কারিগর বাড়িয়ে দিনরাত কাজ করছেন।
সিলেট জেলা ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এবার সিলেট মহানগর ও জেলায় ৬১৭টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। তার মধ্যে সার্বজনীন ৫৬৯টি, পারিবারিক ৪৮টি পূজোর আয়োজন হবে। মহানগরীতে ১৫১টি পূজার মধ্যে সার্বজনীন ১৩৪টি ও পারিবারিক ১৭টি। জেলায় ৪৬৬টি পূজার মধ্যে সার্বজনীন ৪৩৫টি ও পারিবারিক ৩১টি।
সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রজতকান্তি গুপ্ত জানান, সিলেটের ৬১৭টি মণ্ডপের প্রতিনিধি দলের সাথে ইতিমধ্যে দুইদফা সভা হয়েছে। একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। সকল পূজা কমিটিকে সরকারের গাইডলাইন মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূজা মণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থা রাখা হবে। আমরা সবধরনের প্রস্তুত নিয়ে রেখেছি। জেলা প্রশাসক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্গাপূজা উদযাপনে সকল সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সকলের সহযোগিতায় ধর্মীয় সম্প্রীতির রক্ষা করে উৎসবমুখর পরিবেশে এবারের দুর্গাপূজা উদযাপন করা হবে বলে মনে করেন তিনি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/নাজাত
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.