প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৫ ১৫:১১ (মঙ্গলবার)
যখন নেতৃত্ব হারায় পথ, বিভাজন বাড়ায় ক্ষয়

বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় সংকট হলো —কোনো গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক অভিভাবকের/মুরব্বি এর অনুপস্থিতি।রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যখন মতানৈক্য,বিভাজন বা দ্বন্দ্ব দেখা দেয় তখন সে সংকট নিরসনে কেউ এগিয়ে আসে না বা কাউকে সকলের পক্ষে গ্রহণযোগ্য মনে করা যায় না।এই শূন্যতার সুযোগই নেয় বিদেশি রাষ্ট্রগুলো—তারা তাদের কৌশলগত স্বার্থ বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়ে উঠতেছে।


ইতিহাস আমাদের এক মূল্যবান শিক্ষা দেয়।মোহাম্মদ ঘুরির প্রথম ভারত আক্রমণের সময় চারজন রাজপুত নেতা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে তাকে পরাজিত করেছিলেন।কিন্তু দ্বিতীয়বার আক্রমণের সময় তিনজন রাজপুতই ঘুরির সঙ্গে আপস করে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জন্য যার ফলে তার বিজয় সহজ হয়।
 

এই ঐতিহাসিক ঘটনার মতোই যদি আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক শক্তিগুলো নিজেদের ভিক্টিম সিন্ড্রোম বা আত্মবিনাশী মনোভাব থেকে বেরিয়ে এসে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এক টেবিলে না বসে তাহলে অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি শক্তিগুলো অবশ্যই তাদের স্বার্থ বাস্তবায়নে সফল হবে।এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আমরা কি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাধীন,সম্মানজনক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই নাকি বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে আমাদের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে তুলব?
 

 

লেখক: আরিফ রশিদ, শিক্ষার্থী, আইন ও বিচার বিভাগ, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, সিলেট।