বৃটিশ প্রবন্ধকার ও ঔপন্যাসিক ই.এম. ফর্স্টার (১৮৭৯-১৯৭০) তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ “টোলার্যান্স”-এ লিখেছেন, তাবৎ দুনিয়ার মানুষ শুধু বিশ^-শান্তিই খুঁজছে, কিন্তু পাচ্ছে না। সকল দেশের সকল বড় বড় নেতা বিশ^-শাান্তির জন্য পাগলপ্রায়। তাঁরা শান্তির পেছনে যতই দৌড়াচ্ছেন, বিশ^-শান্তি যেন তাঁদের কাছ থেকে ততই দ্রæত পালাচ্ছে। তাঁরা এক হাত এগুলে বিশ^-শান্তি যেন তাঁদের কাছ থেকে ১০০০ হাত দূরে পালায়। প্রাগৈতিহাাসিক কাল থেকে এ দৌড়-ঝাপ বহাল আছে এবং চলছে।
কোথায় খৃষ্টপূর্ব, আর কোথায় এ্যডি। খৃষ্টপূর্ব ৮০০ সালের দিকে গ্রীক অন্ধ চারন-কবি হোমার রচনা করেছিলেন তারঁ দু’টি মহাকাব্য “দ্য ইলিয়াড” এবং “দ্য ওড্যিসী”।
দু’টো মহাকাব্যেই তিনি ট্রয়ের যুদ্ধের কথা তুলে ধরেছেন। ঐ যুদ্ধ ছিল গ্রীস ও ট্রয়ের মধ্যে। ওটা নাকি চলেছিল টানা ১০ বছরঃ ১১৯৯ বিসি হইতে ১০৯৯ বিসি পর্যন্ত। তা-ও নাকি এক গ্রীক সুন্দরী নারির কারণে, যিনি ছিলেন গ্রীক বীর ম্যানিলাউসের স্ত্রী। নাম তার হেলেন।
ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস নাকি হেলেন-কে অপহরণ করেছিল। তাই এই টানা যুদ্ধ! অপরদিকে, সাহিত্য-সমালোচক ইউরিপিডিস (৪৮৪-৪০৬) বলছেন, ট্রয়ের যুদ্ধ আদপেই হেলেনের কারণে ঘটে নি। যুদ্ধের সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৬১ বছর এবং তিনি ছিলেন মিশরে। যৌবনেও তিনি নাকি তেমন সুন্দরীও ছিলেন না, বরং ট্রয়ের যুদ্ধ হয়েছিল ঐ উন্নত-বিত্তের দেশ ট্রয়ের ধন-সম্পদ ও শৌর্য-বিত্তের জন্য, যেমনটা কারণে হয়েছিল এ কালের ইরাক-আমেরিকা যুদ্ধ, আফগান যুদ্ধ বা লিবিয়ার গাদ্দাফীর পতন ও তাদের বর্তমান গৃহযুদ্ধ।
দশ বছর ব্যাপি ট্রয়ের যুদ্ধ আমরা বিশ^বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে আজীবন পড়াচ্ছি। সাথে পড়াচ্ছি অন্যন্য গ্রীক পাচীন ৭ টি নাটকের কোন কোনটিও। এর মধ্যে “কিং ইডিপাস” বা “ইডিপাস রেক্স” নাটকটি অন্যতম। গুলোর মাধ্যমে আমরা আমাদের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদেরকে ইংরেজি ভাষা শেখাই এবং প্রাচীন ইউরোপীয় সাহিত্যও পড়ি, যাতে জ্ঞানলাভ হয়। এমন কি আরবী, বাংলা (ইংরেজিতে অনুদিত) উপন্যাসও পড়াই বিভিন্ন দেশ ও ভাষার সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক জ্ঞান লাভের জন্য।
বলে আসছিলাম বিশ^-শান্তির কথা। ই.এম. ফর্স্টার জোর দিয়ে বলছেনঃ
কোন কিছুতেই বিশ^-শান্তি আসবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না মানুষ টোলার্যান্স বা ধৈর্যের শিক্ষায় শিক্ষিত হবে, ও বিশ^-মানবকে ভালবাসতে শিখবে। তিনি একটি ছোট্ট উদাহরন দিচ্ছেনঃ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে কী লাগে? তিনিই আবার উত্তর দেখাচ্ছেন, “ধৈর্য”। তাঁর লিখিত উপন্যাস “এ্য প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া” গ্রন্থে তিনি মানুষকে ভালবাসার শিক্ষা দিয়েছেন।
আমরা ৩০ বছরের যুদ্ধের কথা জানি, ওয়ার অব রোযেয-এর কথাও জানি, ১০০ বছরের যুদ্ধের কথাও জানি। যুদ্ধবিহীন কোন শতাব্দী কেউ কি দেখাতে পারবে? হয়েছে ফরাসী বিপ্লব, শিল্পবিপ্লব। কেন হলো? শুধু মাত্র মানুষকে ভালবাসতে না পারার জন্য, জালিমদের জুলুমের জন্য।
মানুষ মেরে দেশ দখল করো, নাম অর্জন করো ‘মহাবীর’। আলেকজান্ডার কত মানুষ মেরেছে? হিটলার-মোসলীনি কত মানুষ মেরেছে। জুলিয়াস সীজার কত মানুষ মেরেছে, ক্লিওপ্যাট্র কত মানুষ মেরেছে, মানুষ মারার এ অধিকার কে কাকে দিল?
প্রাচীন রোমান সা¤্রাজ্যে কত মানুষ নিঃশেষ হয়েছে, পারস্য সা¤্রাজ্যে কত মানুষ জীবন দিল, অটোমান সা¤্রাজ্যে কত মানুষ মারা গেল, ভারতবর্ষে আর্য্য, মৌর্য, পাল বংশ, সেন বংশ, মোঘল বংশে কত লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃশেষ হয়েছে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কত মানুষ কালে-অকালে প্রাণ দিয়েছে, আজও ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশি নিরপরাধ মানুষ মেরেই চলেছে, কিসের নাম লাগানো-লোক দেখানো পতাকা-বৈঠক? বিডিআর হত্যাকান্ডে নিজ ভূমিতে গেল কত জোয়ান, চৌকুষ প্রাণ! এ সব কি মানুষ মারার খেলা? বিচার কোথায়?
বৃটেন আর্জেন্টিনা থেকে কী পেলো? রাশিয়া ইউক্রেন থেকে কী পাচ্ছে? আর এই যে প্রায় ৭০/৮০ বছর ধরে চলছে ইসরাইল-ফিলিস্তি মরন-খেলা? লাভ কার? অস্ত্রব্যবসায়ীদের! মারা গেল এ পর্যন্ত প্রায় ৫৮ হাজারের অধিক বেসামরিক নিরপরাধ ফিলিস্তিনি (বৃদ্ধ-বৃদ্ধা নারি-শিশু)। লক্ষাধিক নিখোঁজ রয়েছে। লক্ষ লক্ষ অহত-পঙ্গু। দুই পক্ষেরই কম বেশি ভয়ংকর লস। তবে, মৃত্যুর দায়ভার নেবে কে? পারবে যুক্তরাষ্ট্র, পারবে জার্মানী, পারবে ইসরাইল, পারবে আমেরিকার লেজ-চাটা ভারত?
বৃটিশ মহাকবি জন মিল্টনের ভাষায়ঃ
একটা ভাল বই এবং একজন মানুষ স্বয়ং ¯্রষ্টার ইমেজ। একটা ভাল বই বা একটা মানুষকে হত্যা করা মানে অল্লাহর ইমেজকে হত্যা করা। বৃটেন ভারত উপমহাদেশ শোষণ করল ১৯০ বছরের বেশি, পাকিস্তান বাংলাদেশে করল আরও ২৫ বছর, ইদানিং বন্ধুতে¦র নামে ইন্ডিয়া করল ১৭ বছর। সা¤্রাজ্য বাড়াও, অস্ত্র-ব্যবসা করো। রাশিয়া আফগানিস্তান থেকে কী পেয়েছে? আমেরিকা ইরাক থেকে কী অর্জন করল? রাশিয়া ইউক্রেন থেকে কী পাচ্ছে? “সম্মিলিত বসবাস” বা “সহ-অবস্থানের” অর্থ কি তারা বুঝে না?
আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আখ্যা দেয়া হয়েছিল ইসরাইলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী! হায়রে দৌড়-ঝাপ! কোথায় আমেরিকা? কোথায় ফ্রান্স? কোথায় জর্ডান? কোথায় মিশর? কোথায় কাতার? কোথায় আরব লীগ? হেঁ, ইসলামের নবী জুলুম, অসত্য, অবিচার, নির্যাতন, অন্ধকার ও মিথ্যার বিরুদ্ধে এবং সত্যের পক্ষে আজীবন যুদ্ধ করেছেন। ঐশীগ্রন্থ চির-আধুনিক মহা বিজ্ঞান-গ্রন্থ আল-র্ক্বোআনই আল্লাহর হুকুমে তাঁকে সরাসরি অস্ত্র ধরতে বাধ্য করেছে।
আল্লাহর হুকুমের উদ্দেশ্যই হচ্ছেঃ
মিথ্যা দূরিকরন ও তদস্থলে সত্যের প্রতিস্থপন, জালিমের জুলুমের মূলোৎপাটন, অবিচার ও নির্যাতনের চির-অপসারন, সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য ও সন্দেহ দূরিকরন, এবং সত্যকে একক উচ্চতায় আসীনকরন। কিন্তু মানবকূল এক হয়ে সত্যকে আজও গ্রহন করতে পারে নি। জাহান্নাম বা দোযখ ভর্তি হবে মানুষ দিয়েই তো। অবশ্য তৎসঙ্গে দোযখে জ¦ীন জাতি, মানব জাতি এবং বৃহদাকার পাথরও ফেলা হবে, আরো অনেক কিছুও থাকতে পারে, যা আল্লাহই ভাল জ্ঞাত আছেন।
কিন্তু এত সবকিছু দোযখের পেটে দেয়ার পর তাতেও তার পেট ভরবে না, সে মহা-চিল্লাতে থাকবে, মহা-চিৎকার করতে থাকবে, “আমাকে খাবার দাও, আমাকে খাবার দাও”, যেন এ পর্যন্ত তাকে কিছুই দেয়া হয় নি, দোযখের পেট এতই বিশাল-বিরাট ও ভয়ঙ্কর। এত পেয়েও তার চিল্লা-চিল্লি-চিৎকার কিছুতেই থামবে না। সে অনবরত গর্জন করতেই থাকবে। বেহেশিÍদের যাতে ডিস্টার্ব না হয়, সে জন্য তখন আল্লাহ পাক মুচকি হেঁসে তাঁর কুদরতি বাম পা দোযখের মুখে রাখবেন, আর কেবল তখনই দোযখ বলবে, “ব্যস্, ব্যস্, এবার আমার পেট ভরেছে, আর লাগবে না”।
প্রিয় পাঠক-পাঠিকাবৃন্দ! এই হলো ভয়ানক দোযখের অবস্থা। আল্লাহ পাক সকল মু’মিন-মুসলমানকে এই ভয়ঙ্কর দোযখ থেকে হেফাযৎ করুন-আমীন।
আল্লাহ পাক যেমন রাহমান, যেমন রাহীম, যেমন দয়ালু; তাঁর নাফরমান ও অকৃতজ্ঞ বান্দাদের প্রতি তিনি তেমনি একক-পরাক্রমশলী গোস্বাওয়ালা শাস্থিদাতাও।
আমি এখন এখানে আল্লাহর কালামে পাক থেকে দু’টি পৃথক উদাহরন দিচ্ছি।
১. সূরাহ “আন-নাহল”, আয়াত নম্বর=৬১। আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন ফরমানঃ
“যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের কৃতকর্মের জন্য, তাদের অকৃতজ্ঞতার জন্য, তাদের জুলুম, অত্যাচার, কুফুরি, র্শিক ও পাপাচারের জন্য তৎক্ষনাত পাকড়াও করিতেন, তবে ভূপৃষ্টে কোন চলমান প্রাণীকেই ছাড়িয়া দিতেন না। কিন্তু তিনি তাহাদিগকে একটি নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত তওবার অবকাশ দিতেছেন, অবশেষে যখন তাহাদের নির্দিষ্ট কাল আসিয়া পড়িবে, তখন তা থেকে এক মূহুর্তও আগ-পিছ হইতে পারিবে না”
আল্লাহ তাঁর সৃষ্ট আদম সন্তানকে দোযখের শাস্থি দিতে চান না। যে শাস্তি তারা পাবে, তা হবে শুধু তাদের নিজেদর হাতের কামাই। আর, এ জন্যই আল্লাহ বেহেশÍবাসীর জন্য সুরম্য অট্টালিকা ও সাজানো উদ্যানসমূহ তৈরী করে রেখেছেন। জান্নাতের তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত করে রেখেছেন ৪ প্রকারের প্রবাহমান নদী বা ঝর্নাঃ
ক) সুমিষ্ট পানির নদী, যে পানির রং ও স্বাদ কোনদিন পরিবর্তন হবে না। আর এ পানি কোন দিন কমবেও না, শেষও হবে না।
খ) দুধ-মাঠার নদী, যা শুধু বেহেশিÍরা পান করিতেই থাকিবে।
গ) পবিত্র মদ তথা শারাবের নদী, যা আবহমান কাল পান-কারির অন্তর জুড়াবে।
ঘ) খাঁটি মধুর নদী, যে মধুতে আদৌ কোন ত্রæটিপূর্ণতা থাকিবে না।
এ ছাড়াও থাকবে সকল প্রকারের ফল-ফলাদি, যেগুলোর বেহেশিÍ
স্বাদের কোন তুলনা মানুষ দুনিয়ায় বসে কল্পনাও করতে পারবে না।
জান্নাতের ৪ টি প্রবাহমান নহর, ঝর্ণ, বা নদী মিশেছে গিয়ে জান্নাতের মহা-মহা মহা-সাগরে, যেগুলোর কোন কূল-কিনারা থাকবে না, থাকবে শুধু তাদের অসীময়তা।
তার উপরে থাকবে নেক বান্দাদের জন্য আল্লাহর মাগফিরাত ও রেজাওন্দি-সন্তুষ্টি (সূরাহ “মোহাম্মাদ”।
২. সূরাহ ফাতীরঃ
“আর অল্লাহ যদি মানুষকে তার র্শিক, কুফুরি ও অপকর্মের জন্য বা যে পাপাচার তারা করে, তার জন্য সাথে সাথে পাকড়াও করিতেন, তা হলে ভূপৃষ্টে বিচরনকারি কোন প্রাণীকেই ছাড়িতেন না। কিন্তু তিনি তাহাদিগকে এক নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিয়াছেন (পরীক্ষামূলকভাবে, তারা তওবা করে ফিরে আসে কি না)। ঐ নির্ধারিত সময় যখন নিঃশেষ হয়ে আসবে, আর শাস্তির ক্ষণ যখন চলে আসবে, তখন আল্লাহ নিজ বান্দাদিগকে দেখিয়া লইবেন”।
অন্যান্য প্রাণীকূল বা বৃক্ষ-লতাদি, পশু-পাখি, তথা নদী, নালা, খাল, বিল, মাছ, ঘাস, আকাশমÐল, ভূমÐল, বায়ূ-বাতাস, সকল প্রকারের গ্যাস, সাগর, মহাসগর, মেঘ, বৃষ্টি, চন্দ্র, সূর্য, তারকারাজি, আলো-অন্ধকার, রাত-দিন = এক কথায় সবকিছুই মানবের হিতের জন্যই সৃষ্ট। সুতরাং যখন মানুষই থাকিবে না, তখন ওগুলোর তো কোন প্রয়োজনই থাকিতে পারে না। সুতরাং সবকিছুই ধ্বংস করিয়া দেয়া হইত।
অতএব, হে মানব! যুদ্ধ, হানাহানি, মারামারি, রাহাজানি, উপনিবেশ-গড়া ইত্যাদি সব আজই বন্ধ করো। ইসলামের ছায়াতলে আসো। নবীজির ইসলামি কল্যান-রাষ্ট্র গঠন করো। দেখবে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে একই ছায়াতলে সুখ আর শান্তিতে ভাই-ভাই, দেশ-দেশ হিসেবে বসবাস করছে।
হেঁ, নবীজিও যুদ্ধ করেছেন। যুদ্ধ কখন বৈধ? যখন দেখবে, কোন এক শক্তিশালি জাতি বা গোষ্টি অপর এক দুর্বল জাতি বা গোষ্টির উপর অন্যায়ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, গায়ের জোরে সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করছে, নৈতিক আদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, কোন জাতির স্বাধীনতার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে, তখনই যুদ্ধের প্রয়োজন, ইত্যাদি।
স্বাধীনতাকামীরা কখনো জঙ্গী নয়। স্বাধীকারের আন্দোলনের নামই জিহাদ। আগ্রাসীদেরকে প্রতিরোধ করার নামই জিহাদ। অত্যাচারিদের প্রতিরোধের নামই জিহাদ। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার নামই জিহাদ। মাতৃভুমি রক্ষার নামই জিহাদ। ধর্ম-রক্ষার নামই জিহাদ, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করার নামই জিহাদ।
মানুষ হচ্ছে পৃথিবীতে আল্লাহর “খলীফা” বা আল্লাহর মনোনিত রাজা বা বাদশাহ। পবিত্র ক্বোর-আন আরম্ভই হয়েছে আল্লাহর খলীফা দিয়ে, আর শেষ হয়েছে আল্লাহর বাদশাহী দিয়ে। সুতরাং আল্লাহর আইন দিয়ে বিশ^ চলবে, চলবে আল্লাহর জমিন। মানব-সৃষ্ট কোন “আইন”, “আইন” হতে পারে না। মানুষ স্বয়ং তার প্রমান। কারণ, তারই প্রনীত আইন সে-ই আবার বদলায়। অথচ, আল্লাহর আইন শাশ^ত-চিরন্তন।
গোটা র্ক্বো-আন রাজনীতিতে ভরপুর। আসুন, র্ক্বোআন অধ্যয়ন করি ও র্ক্বোআন নিয়ে গবেষণা করি। দেখবেন, গোটা ভূ-পৃষ্ট সোনার ভূ-পৃষ্ট হয়ে গেছে, হয়ে গেছে শান্তির আবাস।
লেখক: প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ, ইংরেজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ও ২৪ বছরের বিভাগীয় প্রধান, বিভাগের সাবেক জ্যেষ্ঠতম অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বর্তমানে ভিজিটিং প্রফেসর, সিলেট সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সিলেট।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.