প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:২০ (মঙ্গলবার)
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে নৌ-র‍্যালি

ছবি: সংগৃহিত

বাংলাদেশসহ পৃথিবীব্যাপী গ্যাস বিস্তার বন্ধের দাবিতে নৌ-র‍্যালি করেছে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ।

 

বুধবার সকাল ১১ টায় গ্যাস সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী কর্ম দিবস ২০২৫ উপলক্ষে হবিগঞ্জের খোয়াই নদীতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

ধরা হবিগঞ্জের উপদেষ্টা এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মমিন, খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল, প্রাকৃতজন এর পরিচালক আয়েশা আক্তার, পরিবেশকর্মী আব্দুল হান্নান, ইশতিয়াক রহিম, তানভীর আহমেদ, নূরজাহান বিভা, সাইফুল ইসলাম, নাসরিন আলম, মো: রায়হান, তাওহীদ হোসেন তালহা, নৌকার মাঝি মো: ফারুক মিয়া, জেলে কনাই মিয়া প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, দিন দিন পৃথিবীব্যাপী জ্বালানি চাহিদা বাড়ছে। জ্বালানির বাড়তি চাহিদার বিকল্প হিসেবে ফসিল গ্যাস ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে বেছে নিতে হবে। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বিষয়ে প্যারিস চুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিমালা গ্রহণ করে জি-২০ ও কপ-৩০ সম্মেলনের সিদ্ধান্তে তা অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

 

দুঃখজনকভাবে ব্যাপক এই চাহিদা পূরণের জন্য গ্যাসকে প্রধান বিকল্প হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। গ্যাস সঞ্চয়ের বর্তমান হার বিশ্বের জন্য জলবায়ুর লক্ষ্য অর্জনকে কঠিন করে তুলেছে। তাই নাগরিক সমাজকে এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারগুলোকে দ্রæত ন্যায় সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক জ্বালানি রূপান্তরের জন্য পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করতে হবে।

 

হবিগঞ্জ প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, হবিগঞ্জ অঞ্চলে দেশের মোট উৎপাদনের প্রায় ৬০ ভাগ গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই গ্যাস কলকারখানা গুলোতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কারখানাগুলোর মাধ্যমে এক শ্রেণীর লোক পণ্য উৎপাদন করে ব্যাপক লাভবান হলেও মারাত্মক পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। নদী, খাল, জলাশয়, কৃষিজমিসহ যত্রতত্র কলকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য নিক্ষেপের কারণে জেলার মাধবপুর, শায়েস্তাগঞ্জ ও হবিগঞ্জ সদরে মারাত্মক শিল্পদূষণ ঘটছে।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/জাকির/ইকে