ছবি: ফাইল ছবি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন মাইগ্রেশন ও অ্যাসাইলাম প্যাক্ট ১২ জুন থেকে ফ্রান্সে কার্যকর হচ্ছে৷ ইউরোপজুড়ে আশ্রয় ও অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে প্রণীত এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সে সীমান্তে আশ্রয় প্রক্রিয়া, প্রত্যাবাসন ব্যবস্থা, ডাবলিন প্রবিধান এবং আশ্রয়প্রার্থীদের তথ্য সংরক্ষণ পদ্ধতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসছে৷
নতুন বিধান কার্যকর হওয়ার পর আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য কী কী পরিবর্তন হবে সেগুলো ইনফোমাইগ্রেন্টসের পাঠকদের জন্য বিস্তারিত তুলে ধরা হলো৷
সীমান্তে বাধ্যতামূলক ‘ফিল্টারিং’ প্রক্রিয়া:-
১২ জুন থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো দেশের নাগরিক যদি অনিয়মিতভাবে ইইউর বহিঃসীমান্তে প্রবেশ করে আশ্রয় আবেদন করেন, তাহলে তাকে বাধ্যতামূলকভাবে ‘ফিল্টারিং’ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে৷ ফ্রান্সে এই প্রক্রিয়া মূলত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে পরিচালিত হবে। যেমন বৃহত্তর প্যারিস অঞ্চলে অবস্থিত রোয়াসি শার্ল দ্য গল বিমানবন্দর, অর্লি বিমানবন্দর এবং বুভে এয়ারপোর্ট।
এই ধাপটি আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ার আগের একটি নতুন পর্যায়। ফিল্টারিং চলাকালে আবেদনকারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সে প্রবেশ করেছে বলে গণ্য করা হবে না। তাকে সীমান্তসংলগ্ন এলাকা বা ট্রানজিট জোনে অবস্থান করতে হবে। এসব স্থানের চূড়ান্ত তালিকা এখনো নির্ধারণ করেনি ফরাসি সরকার। ফিল্টারিং সর্বোচ্চ সাত দিন চলবে। এই সময় আবেদনকারীদের পরিচয় যাচাই, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নিরাপত্তা যাচাই করা হবে।
এটি ফ্রান্সের বর্তমান আশ্রয় পদ্ধতির তুলনায় বেশ বড় পরিবর্তন। এতদিন কোনো আশ্রয়প্রার্থী বহিঃসীমান্তে পৌঁছালে শরণার্থী ও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের সুরক্ষা বিষয়ক ফরাসি দপ্তর (অফপ্রা) একটি মতামত দিত এবং পরে তিনি ফ্রান্সে প্রবেশ করে নিয়মিত আশ্রয় আবেদন করতে পারতেন।
ফিল্টারিং শেষে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত হতে পারে। প্রথমত, আবেদনকারীকে সাধারণ আশ্রয় প্রক্রিয়ায় পাঠানো হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সে প্রবেশ করতে পারবেন এবং বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী আশ্রয় আবেদন করবেন। এই ক্ষেত্রে আগের নিয়মের তুলনায় তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। দ্বিতীয়ত, তাকে ‘সীমান্ত আশ্রয় প্রক্রিয়া’র আওতায় আনা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তিনি ফরাসি ভূখণ্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করতে পারবেন না এবং সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ একটি অস্থায়ী কেন্দ্রে অবস্থান করবেন, যেখানে তার আশ্রয় আবেদন পরীক্ষা করা হবে।
আশ্রয় বিষয়ক ফরাসি দপ্তর (অফপ্রা) জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি রোয়াসি বিমানবন্দর থেকে ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থাও থাকবে। অন্যান্য সীমান্ত এলাকার সঙ্গেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে। ফ্রান্সের জাতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নিবেদিত এলাকায় ৬১৫টি স্থান থাকার কথা। বর্তমানে দেশটিতে এর অর্ধেকেরও কম, অর্থাৎ প্রায় ৩০০টি স্থান রয়েছে। এর মধ্যে ১৫৭টি রয়েছে রোয়াসি শার্ল দ্য গল বিমানবন্দরে।
ফরাসি অভিবাসন ও ইন্টিগ্রেশন বিষয়ক দপ্তরের (অফি) মহাপরিচালক দিদিয়ে লেসচি জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় স্থানসংখ্যা পূরণ করতে রোয়াসি বিমানবন্দরের আশপাশের হোটেলগুলো ব্যবহার করা হবে।
তবে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কীভাবে নিশ্চিত করা হবে যে এসব ব্যক্তি আশ্রয় কর্তৃপক্ষের আওতায় থাকবেন?’ কারণ এসব হোটেলে পুলিশ মোতায়েন থাকবে না। ফলে কিছু আশ্রয়প্রার্থী কর্তৃপক্ষের নজরের বাইরে চলে যেতে পারেন।
ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরো নুনেজ জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থান তৈরি করা হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা সীমান্ত আশ্রয় প্রক্রিয়ার আওতায় আসতে পারেন:-
যেসব দেশের নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন অনুমোদনের হার ইইউ পর্যায়ে ২০ শতাংশ বা তার কম। উদাহরণ হিসেবে ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, গ্যাবন এবং তানজানিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করার সন্দেহ রয়েছে। তবে ১২ সপ্তাহের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সাধারণ আশ্রয় প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর করতে হবে এবং ফ্রান্সে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।
নতুন ব্যবস্থায় শুধু সীমান্তে ধরা পড়া ব্যক্তিরাই নন, ফ্রান্সের ভেতরে অনিয়মিত অবস্থায় শনাক্ত হওয়া কিছু ব্যক্তিও এই ফিল্টারিংয়ের আওতায় আসতে পারেন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং প্যারিস-স্যাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তানিয়া রাশো বলেন, ধরা যাক, ফ্রান্সের রেন শহরে পুলিশের তল্লাশির সময় একজন অনিয়মিত অভিবাসী ধরা পড়লেন এবং তিনি আশ্রয় চাইছেন। সেক্ষেত্রেও তাকেও এই ফিল্টারিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে। এমন ব্যক্তিদের ট্রানজিট এলাকায় পাঠানো হতে পারে। এরপর সাত দিনের ফিল্টারিং শেষে তাদের সাধারণ আশ্রয় প্রক্রিয়া অথবা সীমান্ত আশ্রয় প্রক্রিয়ায় পাঠানো হবে।
সীমান্তে আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে আবেদনকারীকে ফ্রান্স ছাড়তে হবে। তবে যেহেতু তাকে কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি, তাই তাকে প্রশাসনিক আটককেন্দ্রে (সিআরএ) পাঠানো হবে না। বরং তিনি সীমান্তসংলগ্ন অপেক্ষা এলাকায় অবস্থান করবেন। এই পর্যায়কে বলা হচ্ছে ‘সীমান্ত প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া’। এটি সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।
আপিলের আগেই কার্যকর হতে পারে বহিষ্কার:-
নতুন চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, সীমান্তে আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে আপিল বিচার শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করেই দেশত্যাগের নির্দেশ (ওকিউটিএফ) কার্যকর করা যেতে পারে। বর্তমানে ফরাসি জাতীয় আশ্রয় আদালতে (সিএনডিএ) আপিল করলে বহিষ্কার কার্যক্রম সাধারণত স্থগিত থাকে। নতুন ব্যবস্থায় সেই সুরক্ষা সীমিত হয়ে যাচ্ছে। যদিও স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ থাকবে, তবে যাদের ‘পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি’ রয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, তারা এই সুবিধা পাবেন না।
‘রিটার্ন হাব’ নিয়ে ফ্রান্সের অনীহা :-
চুক্তির বাইরে ১ জুন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ‘রিটার্ন রেগুলেশন’ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর আওতায় ইউরোপের বাইরে তৃতীয় কোনো দেশে প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের পাঠানোর জন্য বিশেষ কেন্দ্র বা ‘রিটার্ন হাব’ তৈরি করা যেতে পারে। এসব কেন্দ্র আবেদনকারীর নিজ দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত না হলেও চলবে। কোনো ইইউ সদস্যরাষ্ট্র এবং তৃতীয় দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে এসব কেন্দ্র গড়ে তোলা যাবে। তবে ফ্রান্স এ ধরনের কেন্দ্রের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দিহান এবং এগুলো ব্যবহার করতে আগ্রহী নয়।
ডাবলিন বিধিতে পরিবর্তন:-
ফিল্টারিংয়ের সময় যদি দেখা যায় যে কোনো ব্যক্তি ইতোমধ্যে অন্য কোনো ইইউ দেশে আশ্রয় আবেদন করেছেন, তাহলে ডাবলিন নীতির আওতায় সেই প্রথম দেশই তার আবেদন পরীক্ষা করার দায়িত্ব বহন করবে। তবে নতুন নিয়মে দায়িত্ব বহনের সময়সীমা ১২ মাস থেকে বাড়িয়ে ২০ মাস করা হয়েছে।
তানিয়া রাশো বলেন, আগে কোনো দেশকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুনরায় গ্রহণের জন্য অনুরোধ পাঠাতে হতো। এখন শুধু একটি নোটিফিকেশন পাঠালেই হবে এবং দেশটিকে তাকে ফিরিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে ইটালি ও গ্রিসের মতো দেশগুলোর ওপর চাপ কমাতে ফ্রান্স ‘সংহতি ব্যবস্থা’তেও অংশ নিচ্ছে।
ফ্রান্স জানিয়েছে, ‘ডাবলিন অফসেট’ ব্যবস্থার আওতায় প্রায় তিন হাজার ব্যক্তিকে তাদের প্রথম নিবন্ধনকারী দেশে ফেরত পাঠানো হবে না। এরা ২০২৪ সালের শরৎকাল থেকে ২০২৫ সালের গ্রীষ্মের মধ্যে ফ্রান্সে এসেছিলেন।
নতুন প্যাক্টের আওতায় আশ্রয় আবেদন কোনো ‘নিরাপদ তৃতীয় দেশে’ প্রক্রিয়াকরণের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে ফ্রান্স জানিয়েছে, সাংবিধানিক কারণে তারা এই ব্যবস্থা প্রয়োগ করবে না। ফরাসি সাংবিধানিক পরিষদ একাধিকবার বলেছে, প্রতিটি আশ্রয় আবেদন পৃথকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। ফলে অন্য দেশে পাঠিয়ে আবেদন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা ফ্রান্সে কার্যকর করা কঠিন। তবে অন্যান্য ইইউ দেশ এ ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারবে, যদি আবেদনকারীর সঙ্গে ওই দেশের পারিবারিক, সাংস্কৃতিক বা ভাষাগত সম্পর্ক থাকে, অথবা তিনি ওই দেশের মাধ্যমে ইউরোপে প্রবেশ করে থাকেন।
ইউরোড্যাক ডেটাবেজে আরও বেশি তথ্য সংরক্ষণ:-
এখন পর্যন্ত ইইউতে অনিয়মিতভাবে প্রবেশ করা এবং আশ্রয় আবেদনকারী ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সি ব্যক্তিদের আঙুলের ছাপ ইউরোড্যাক ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হতো। ১২ জুন থেকে এই ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। এখন থেকে ফ্রান্সে অনিয়মিতভাবে প্রবেশ করা সব ব্যক্তির তথ্য সংরক্ষণ করা হবে, তারা আশ্রয় আবেদন করুক বা না-করুক।
আঙুলের ছাপের পাশাপাশি মুখের বায়োমেট্রিক তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। এর আওতায় থাকবে:-
ছয় বছর বা তার বেশি বয়সি আশ্রয়প্রার্থী শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক।
পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ইইউতে আসা ব্যক্তিরা।
সাবসিডিয়ারি প্রোটেকশনের সুবিধাভোগীরা।
সমুদ্র থেকে উদ্ধার হয়ে ইউরোপে আসা অভিবাসীরা।
ফ্রান্সে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার প্রশ্নে এই তথ্য সংগ্রহ ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ নিয়ে ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
আশ্রয়প্রার্থীদের গ্রহণ সংক্রান্ত নিয়মে কী পরিবর্তন?
মাইগ্রেশন ও অ্যাসাইলাম প্যাক্টে একটি নির্দেশনাও রয়েছে, যার লক্ষ্য আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম গ্রহণমান নির্ধারণ করা।
এই নির্দেশনা অনুযায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন, খাদ্য এবং আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।
ফ্রান্সে এসব ব্যবস্থা ইতোমধ্যে কার্যকর রয়েছে। দেশটি জাতীয় আশ্রয় গ্রহণ ব্যবস্থার আওতায় আবাসন, আশ্রয়প্রার্থীদের ভাতা (আদা) এবং স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ প্রদান করে। এছাড়া আশ্রয় আবেদন নিবন্ধনের ছয় মাস পর শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার বিধানও ফ্রান্সে আগে থেকেই কার্যকর।
যেসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসছে:-
নতুন প্যাক্ট কার্যকর হওয়ার পর ডাবলিন প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত ব্যক্তিরা আর আগের মতো সামাজিক সুবিধা (সিএমএ) বজায় রাখতে পারবেন না। দিদিয়ে লেসচি বলেন, আগে ডাবলিন প্রক্রিয়ার একজন আবেদনকারী তার স্থানান্তর সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত এসব সুবিধা পেতেন। এখন সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত পাঠানোর নোটিফিকেশন জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এসব অধিকার হারাবেন। অন্যদিকে পুনরায় আশ্রয় আবেদনকারী বা বিলম্বিত আবেদনকারীদের জন্য সীমিত পরিসরে সিএমএ সুবিধা চালু করা হচ্ছে। আগে তারা এই সুবিধা পেতেন না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, আশ্রয়প্রার্থীর আচরণগত সমস্যার কারণে তার সব ধরনের গ্রহণ সুবিধা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা আর সম্ভব হবে না। দিদিয়ে লেশির ভাষায়, ‘নতুন প্যাক্ট অনুযায়ী সব আশ্রয়প্রার্থীর জন্য ন্যূনতম গ্রহণ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। শুধু ডাবলিন প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত ব্যক্তিরা এর ব্যতিক্রম।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ এহিয়া
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.