প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬ ২৩:০০ (সোমবার)
সিলেটে স্বস্তি মিললো যে খবরে, সেই ডা কা ত শ্রীঘরে

ছবি: সিলেট ভিউ।

সিলেটের বিশ্বনাথ থানাধীন রামপাশা এলাকা থেকে ১৩ মামলার পলাতক আসামি দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেফতার করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) রাতে অভিযান দিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সিলেটের বিশ্বনাথ থানার নওধার পূর্বপাড়া এলাকার মৃত ইদ্রিছ আলীর ছেলে মোশাহিদ রাজু (৩৬)।

 

পুলিশ জানায়,  শনিবার (১৩ জুন) রাতে সিলেটের বিশ্বনাথ থানাধীন  ৪নং রামপাশা ইউনিয়নের নওধার সাকিনে অভিযান পরিচালনা করে ১৩ মামলার পলাতক আসামি দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেফতার করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। তার নামে সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানাসহ বিশ্বনাথ থানায় মোট-১৩টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তন্মধ্যে ৩টি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

মোশাহিদের মামলার তথ্য দিয়ে পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ১৩টি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। এসব মামলার অধিকাংশই ডাকাতি, দস্যুতা, লুটপাট ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি কাজে বাধাদান এবং একটি হত্যা মামলাও রয়েছে। তথ্যানুযায়ী, সুনামগঞ্জের ছাতক থানায় ১১ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে দায়ের হওয়া এফআইআর নং-১৩ (জি আর নং-৭২/১৪) মামলায় পেনাল কোডের ৩৮২, ৪৬০, ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৪১২ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এর আগে ৫ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে ছাতক থানার এফআইআর নং-০৪ (জি আর নং-৬৩/১৪) এবং ১ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে এফআইআর নং-০১ (জি আর নং-৬০/১৪) মামলাদ্বয়ে পেনাল কোডের ৩৯৫ ও ৩৯৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। একই বছরের ১০ মার্চ ছাতক থানার এফআইআর নং-০৯ (জি আর নং-৪৯/২০১৪) মামলায় ৪৬০, ৩৮০, ৩৯৫ ও ৩৯৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। 

 

এছাড়া ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার এফআইআর নং-১১ (জি আর নং-২৭/১৪) মামলায় ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৪১২ ধারায় মামলা নথিভুক্ত হয়। ২০১২ সালে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাতক থানার এফআইআর নং-১৯ (জি আর নং-১৯/১২), দিরাই থানার এফআইআর নং-১১ (জি আর নং-১১/১২) এবং ছাতক থানার এফআইআর নং-০১ (জি আর নং-০১/১২)। এসব মামলায় পেনাল কোডের ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৩৯৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। ২০১১ সালে ছাতক থানার এফআইআর নং-২৯ (জি আর নং-৩০০/১১), ছাতক থানার এফআইআর নং-০৩ (জি আর নং-২০৮/১১) এবং সিলেটের বিশ্বনাথ থানার এফআইআর নং-০৪ মামলাতেও ৩৯৫ ও ৩৯৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া ১৫ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে ছাতক থানার এফআইআর নং-২০ (জি আর নং-৭৯/১৪) মামলায় পেনাল কোডের ১৪৩, ৩৫৩, ৩৩২, ৩৩৩, ২২৪ ও ২২৫ ধারায় সরকারি কাজে বাধাদান, হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

 

সর্বশেষ, সিলেটের বিশ্বনাথ থানায় ১৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দায়ের হওয়া এফআইআর নং-০৯ (জি আর নং-৭৫/২০২৪) মামলায় পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা ও অভিন্ন উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 


সিলেট জেলা পুলিশের সহকারি পুলিশ সুপার (মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট) মো. সম্রাট তালুকদার বলেন, ‘সিলেট জেলার অপরাধ দমন, অবৈধ মাদক উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার ও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া চোরাচালান রোধ, মাদক চোরাচালানের সহিত জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করণ এবং গ্রেফতারে জেলা পুলিশ, সিলেট গুরুত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।’

 

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ এহিয়া