ছবি: সংগৃহিত
সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা বলেছেন, ‘রন্ধন শিল্পে সিলেটের নারীরা নানাভাবে নিজেদের দক্ষতা ও নান্দনিকতার ছাপ রাখছেন। তবে রন্ধনশিল্পের এই নান্দনিকতা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা। অনেক মেয়েই এখন সাহস করে এই ব্যবসায় ঝুঁকছেন। তাদের উদ্ভুদ্ধ করবে আমানত রেস্টুরেন্টের সাফল্য।
শুক্রবার রাতে (১৯ জুন) নগরের পূর্ব জিন্দাবাজারে আমানত রেস্টুরেন্টের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
উইমেন চেম্বার সভাপতি বলেন, সিলেটের নারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে উইমেন্স চেম্বার। তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে যা যা প্রয়োজন সব চেষ্টা আমাদের আছে। তবে এ ক্ষেত্রে সমাজের সর্বস্থরের মানুষের আরও বেশি উদার দৃষ্টিভঙ্গি এবং সরকারের পক্ষ থেকে আরও বেশি সহযোগীতা প্রয়োজন।’
তিনি আমানত রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী মর্জিয়াা খানমের সাফল্য তুলে ধরে বলেন, ‘তিনি সাহস করে শুরু করেছিলেন বলে আজ সাফল্যের এক বছর উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করতে পারছেন। তাঁর এই সাফল্য আমাদের নবীন নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণার হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটভিউর বার্তা সম্পাদক এনামুল কবীর, সিলেট প্রেসক্লাবের ট্রেজারার ও দৈনিক ইনকিলাবের সিলেট ব্যুরো প্রধান ফয়সাল আমীন, দৈনিক সিলেটের ডাকের সাব-এডিটর আনাস হাবিব কলিন্স, সিলেট জেলা পুলিশ সুপারের পিএ-টু তৌহিদুর রহমান, সিলেট উইমেন্স চেম্বারের সদস্য সাজানারা বেগম।
আমানত রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী মর্জিয়া খানম সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই এক বছরে আমরা গ্রাহকদের যে আস্থা ও ভালোবাসা পেয়েছি সেজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আগামী দিনগুলোতে আমরা আরো বৈচিত্রময় স্বাদ ও মানের খাবার পরিবেশন করে আপনাদের আস্থার প্রতিদান দিতে চাই।
এর আগে অতিথিদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বর্ষপূতির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে আমানাত রেস্টুরেন্টে বিভিন্ন সময়ে ভিজিট করা কাস্টমারদের জন্য লটারি অনুষ্ঠিত হয়।
লটারিতে বিজয়ী ভাগ্যবান তিন দম্পতি পান সিলেট-কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ। এছাড়া লাটারিতে বিজয়ী আরো ১৫ জন ভাগ্যবান পান সিলেট-জাফলং ভ্রমনের সুযোগ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.