ছবি: সিলেট ভিউ গ্রাফিক্স।
সিলেট মহানগরীর নবাব রোড এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় আরও এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে বিভিন্ন সময়ে অভিযান দিয়ে আরও ৭ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যায়।
সোমবার (২২ জুন) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মহানগরীর আখালিয়া নতুন বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী- বিদুৎ দাস (৩৫)। সে সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানার আখালিয়া, ব্রাহ্মণশাসন, নতুন বাজার এলাকার স্বর্গীয় বিরেন্দ্র কুমার দাসের ছেলে। বিদুৎ দাস সিলেট মহানগর ০৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।
গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম।
তিনি বলেন,‘নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় মহানগরীর জালালাবাদ থানাধীন নতুন বাজার এলাকা থেকে জালালাবাদ থানা পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে অভিযান দিয়ে আরও ৭ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) কোতোয়ালী থানার এসআই মাসুদ আহমদ বাদী হয়ে সিলেট মহানগরীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৬৯জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ২৪জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০/৪৫জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট মহানগরীর নবাব রোড এলাকায় পিডিবি অফিসের সামনে থেকে মদিনা মার্কেটের দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের ৪০/৫০ জনের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযান দিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে চারজনকে এবং পরে আরেকজনকে আটক করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন ইব্রাহিম মোস্তফা মাহী, সানিয়াত আহমদ, রেদুয়ান আহমদ রাব্বী, আশরাফুল আহমদ শাহী ও সাকির আহমদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খানের উদ্যোগে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়। মিছিলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের বহন করা ব্যানারে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজবন্দীদের মুক্তি এবং ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাইনুল জাকির। তিনি বলেন, ‘এ মামলায় আসামী ধরতে পুলিশ ব্যাপক তৎপর রয়েছে।এখন পর্যন্ত পুলিশ ৮জনকে গ্রেফতার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ এহিয়া
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.