প্রকাশিত: ২৪ জুন, ২০২৬ ০০:০০ (বুধবার)
যে কারণে ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছিল ডিসি সারওয়ারের

ছবি: সিলেট ভিউ গ্রাফিক্স।

সিলেটের সদ্য বিদায়ী আলোচিত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে ছয় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গাড়ি সেবা শাখা। প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ ও গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা অনুযায়ী তাকে এ জরিমানা করা হয়েছিল। চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গাড়ি সেবা শাখার উপসচিব মঈন উদ্দিন ইকবাল স্বাক্ষরিত এই চিঠি পাঠানো হয়। তবে জরিমানার টাকা তিনি পরিশোধ করেছিলেন কি-না তা জানা যায়নি।



জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে (স্মারক নং ০৫.০০.০০০০.০০০.১২৪.৮৯.০০০২.২৩.২৬৮) উল্লেখ করা হয়- প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০ (সংশোধিত) অনুযায়ী জনাব মো: সারওয়ার আলম, জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট এর অনুক‚লে সুদমুক্ত ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গত ০২/০৯/২০২৪ তারিখের ৫৭ নং স্মারকে ৩০,০০,০০০/-(ত্রিশ লক্ষ) টাকা অগ্রিমের সরকারি মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হয়। গত ২২/০৪/২০২৬ তারিখে “গ” ফরম (বন্ধকী ফরম) স্বাক্ষর করা হয়। প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০ (সংশোধিত) এর নীতি ৭(১) অনুযায়ী চুক্তি স্বাক্ষরের অনধিক ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে “গ” ফরম (বন্ধকী ফরম) স্বাক্ষর না করা হলে ১৫% হারে জরিমানা প্রদানের বিধান রয়েছে। গত ০১/১২/২০২৪ তারিখে ৯০ (নব্বই) দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর ‘গ’ ফরম (বন্ধকী ফরম) স্বাক্ষর করার কারণে ০১/১২/২০২৪ থেকে ২২/০৪/২০২৬ পর্যন্ত ১৫% হারে জরিমানা প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।



এমতাবস্থায় প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ ও গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা অনুযায়ী গত ০১/১২/২০২৪ থেকে ২২/০৪/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ৫০৭ (পাঁচশত সাত) দিনের জন্য গৃহীত ঋণের উপর ১৫% হারে (শতকরা পনের টাকা) ৬,২৫,০৬৮.৪৯ (ছয় লক্ষ পঁচিশ হাজার আটষট্টি টাকা উনপঞ্চাশ পয়সা) টাকা চালানের মাধ্যমে (কোড নং ১০৭০১০১১০০৭১৯-১৪৩১১০১) রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা প্রদানপূর্বক এ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।



এদিকে, জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সারওয়ার আলমকে করা জরিমানার ব্যাপারে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকী সাহার সাথে। কিন্তু একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।



অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি তার জানা নেই বলে মন্তব্য করেন।


 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ফরিদ/শাদিআচৌ