প্রকাশিত: ৩০ জুন, ২০২৬ ১৬:৫২ (বুধবার)
যুক্তরাজ্যে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

যুক্তরাজ্য একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার পূর্ব লন্ডনে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কমিটির উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল আলম বাবলু। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য জাগরণ মঞ্চের সমন্বয়কারী কাউন্সিলর অজন্তা দেব রায়, নির্মূল কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক তাপস কান্তি বাউল, উপদেষ্টা হারমুজ আলী, যুক্তরাজ্য কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য স্বাধীন খাসরু, আওয়ামী লীগ নেতা সুশান্ত দাস গুপ্ত, আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ এহসান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সায়েদ আহমেদ সাদ, সাংবাদিক আব্দুল বাছির, আব্দুল হান্নান, মুশফিক জায়গীরদার,ফরিদ আহমেদ ঈমন এবং যুক্তরাজ্য কমিটির ড. আনিসুর রহমান আনিস প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ওমি রহমান পিয়াল, নির্মূল কমিটির মতিয়ার চৌধুরী, নুরুদ্দীন আহমেদ, আনসার আহমেদ উল্লাহ, সহ-সভাপতি জামাল আহমেদ খান, শাহাব উদ্দিন বাচ্চু  ও নয়নিকা ঘোষ।

আলোচনার বিষয় ছিল "ফিরে দেখা: ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলন ও শহীদ জননী জাহানারা ইমাম"। বক্তারা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাহানারা ইমামের অবদান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তাঁর দীর্ঘ আন্দোলন এবং ১৯৯২ সালের গণআদালত কর্মসূচির তাৎপর্য তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা গণআদালত আন্দোলন পরবর্তীকালে ২০১৩ সালের শাহবাগভিত্তিক গণজাগরণ মঞ্চের আদর্শিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে নতুন প্রজন্মের আন্দোলনে রূপ দেয়। যুক্তরাজ্য একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির এক মুখপাত্র বলেন, "জাহানারা ইমামের সাহস ও আদর্শ আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তাঁর আত্মত্যাগকে স্মরণ করতে এবং শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর ভাবনার ঐতিহাসিক যোগসূত্র নিয়ে আলোচনা করতেই যুক্তরাজ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিরা আজ একত্রিত হয়েছেন।"

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ‘শহীদ জননী’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। ১৯৯২ সালে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত গণআদালত আন্দোলন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দাবিতে জনমত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, ন্যায়বিচার, ইতিহাস সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে তাঁর অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/আনসার/এসডি-১১