প্রকাশিত: ০৭ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫৩ (বুধবার)
সিলেটের ফার্মেসিগুলোতে হচ্ছেটা কি?

ছবি: সংগৃহিত

সিলেটের ফার্মেসিগুলোতে হচ্ছেটা কি? প্রশাসন অভিযানে নামলেই পাচ্ছে না অনিয়ম। করছে জরিমনা। কিন্তু তবু টনক নড়েনা মালিকপক্ষের। অনিয়মের বেড়াজালে রোগী ও স্বজনদের জন্য তারা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছেন।

 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকালে সিলেটের বিভিন্ন ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে অন্তত তিনটি ফার্মসিকে মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. তানজিব হোসাইন সজীব।

 

উপশহর পয়েন্টে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান আল আমিন মেডিসিন কর্ণারে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় দেখা যায়, অবৈধ মেডিকেল যন্ত্রপাতির ছড়াছড়ি। তাছাড়া পাওয়া গেছে ডাক্তারদের জন্য বিশেষভাবে কোম্পানির দেওয়া ফিজিসিয়ান স্যাম্পলও বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে। এই ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক সংরক্ষণ বা ব্যবস্থাপনাও নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। তারা সতর্ক করার পাশাপাশি এই ফার্মেসিকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমান করেছে।

 

পরে নগরীর চন্ডিপুল এলাকায়ও অভিযান চালালয় ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় নষ্ট জির্নশীর্ণ ফ্রিজে অ্যান্টিবায়োটিক সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। দেখা যায় ফিজিসিয়ান স্যাম্পলও প্রদর্শণ হচ্ছে। এই ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

পরে একই এলাকায় অবস্থিত সমিতা বাহার মেডিকেল হলেও অভিযান চালিয়ে ফিজিসিয়ান স্যাম্পল প্রদর্শন করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। তিন ফার্মেসি মিলেট জরিমানা আদায় করা হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

 

এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান হয়, হয় জরিমানও। কিন্তু ফার্মেসিওলারা মোটেও সতর্ক হন না। বরং তারা জনগনের জীবন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলার মতো অনিয়মের ঘটনা নিয়মিত ঘটিয়েছিলেন।

 

তবে জনস্বার্থে এমন অভিযান আগামীতেও অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. তানজীম হোসাইন সজীব।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে