সিলেটে দ্রুত সুরমা কুশিয়ারা পানি বাড়তে শুরু করেছে। এরমধ্যেই কুশিয়ারার পানি একটি পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। সুরমার পানি একাধিক পয়েন্টে বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই অবস্থায় পৌঁছেছে। এদিকে উজানে ভারতে উত্তরপূর্বাঞ্চলে আগামী এক সপ্তাহে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে সে দেশের আবহাওয়া অফিস।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় সিলেট আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া নদ-নদীর পানির হিসাব বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। বুধবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ১২ দশমিক ৫৩ মিটার। আর সন্ধ্যা ৬টায় পানি পৌঁছায় ১২ দশমিক ৭০ মিটার উচ্চতায়।
সিলেট পয়েন্টে সুরমার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার। বুধবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৯ দশমিক ৮৮ মিটার। সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা পৌঁছায় ১০ দশমিক ১ মিটার।
আমলশিদ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৫ দশমিক ৩০ মিটার উচ্চতায়। বিকাল ৩টায় পানি পৌঁছায় ১৫ দশমিক ৪৪ মিটার উচ্চতায়। সন্ধ্যা ৬টার কোনো হিসাব দেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড।
শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৫ মিটার। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১২ দশমিক ৬৭ মিটার। সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা পৌঁছায় ১২ দশমিক ৮০ মিটারে।
ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৪৫ মিটার। বুধবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৯ দশমিক ৮০ মিটার। আর সন্ধ্যা ৬টায় তা পৌঁছায় ৯ দশকি ৮২ মিটারে।
শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ মিটার। বুধবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ৮ মিটার উচ্চতায়। আর সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ৮ দশমিক ০৪ মিটার উচ্চতায়।
এছাড়াও সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভাছাড়া এবং ধলাই নদীর পানিও হ্রাস বৃদ্ধির মধ্যে রয়েছে।
এদিকে সিলেট আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক সপ্তাহ ধরে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে ভারি বৃষ্টিপর পূর্বাভাস রয়েছে।
সার্বিক পরিস্থিতে মনে হচ্ছে, এবার না আসা বন্যা এই এল বলে!
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.