প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২৬ ২০:১২ (শুক্রবার)
কমলগঞ্জে রাতে দোকান ভাং চু র ও লু*ট*পা*টের অভিযোগ

প্রতীকী ছবি

মৌলভীবাজারের বমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কানাইদেশী টিলাবাজারে রাতের অন্ধকারে ১টি দোকান ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুটপাট করে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ লোকমান মিয়া।

২২ জুলাই (বুধবার) রাত ১০টায় কানাইদেশী টিলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটছে।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকমান মিয়া বাদি হয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, একই এলাকার হেলাল মিয়া(৩২), রাশিদ মিয়া(৩৫), আব্দুল মিয়া(৩৫), ছমেদ মিয়া(৬০), দেলোয়ার মিয়া(৩৩)সহ ৫/৬জন সংঘবদ্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দোকান ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় ভাংচুরকারীরা ঘটনার দিন রাতে লোকমান মিয়ার বাড়ি ঘেরার করে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভিতি ও হুমকি দিয়ে বলে ভাংচুর দোকান ঘর আবার নির্মান করলে প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করেন। তাদের হুমকি ও ভয়ভীতিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বলে লোকমান মিয়া জানান।

ক্ষতিগ্রস্থ লোকমান মিয়া জানান, বিগত ৪ বছর পূর্বে টিলাবাজারে সরকারীভাবে দোকানঘর নির্মান করা হয়। এ সময় আমার খরিদাসূত্রে দখলকৃত ৪ শতক ভুমি হতে ২ শতক ভুমি সরকারী দোকানঘর নির্মানে কেটে নেওয়া হয়। পরে ২শতক ভুমিতে পূনরায় দোকানঘর নির্মান করি। বিবাদিগন একই গ্রামের বাসিন্দা থাকায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদ করতেছে। এ জমি জোর জবর দখলের জন্য ভাংচুরকারীরা দীর্ঘদিন ধরে নানান ভাবে হুমকিসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় রাতের অন্ধকারে দোকানঘর ভেঙ্গে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্ত ছমেদ মিয়া জানান, এ বাজারে লোকমান আলীর দখলকৃত সরকারী জমি ছিল। কিন্তু অত্র বাজারে সরকারীভাবে দোকান ঘর নির্মানের সময় কেটে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন যে ঘর ভাংচুর হয়েছে রাতের আধারে মসজিদের রাস্তায় বানানোর কারনে এলাকার স্থানীয় কিছু যুবক ভাংচুর করতে পারে।

কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. কমর উদ্দীন বলেন, এবিষয় অবগত নয়। খুজ নিয়ে দেখতেছি।


 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/জয়নাল/এসডি-১৩