প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫ (রবিবার)
মালেক হ ত্যা, সিলেট র‌্যাব ধরলো আ সা মি কে

ছবি: সিলেট ভিউ।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯) ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪) এর যৌথ অভিযানে জামালপুরের বকশীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আব্দুল মালেক হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১নম্বর পলাতক আসামিকে হবিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) আনুমানিক ৮টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন গোগাউড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মো. বিদ্যুৎ (৩০)। সে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার বাগাডুবা এলাকার মৃত দুদু শেখের ছেলে।

 

ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে র‌্যাব জানায়, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার বাগাডুবা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক (৪৫)-এর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার বিবাদীদের দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এরই জেরে ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকেলে মরিচ ক্ষেতে সেচের পানি পাশের জমিতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ভিকটিমের ভাই মো. আছলামের সঙ্গে বিবাদীদের কথাকাটাকাটি হয়। পরে বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। আব্দুল মালেক প্রতিবাদ করলে ০৯ নং আসামি মোফাজ্জল হোসেনের নির্দেশে অন্য আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করে। ভাইকে রক্ষা করতে গেলে মো. আছলামও গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আব্দুল মালেক মারা যান। এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।

 

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জ এবং র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল  শুক্রবার (২৪ জুলাই) আনুমানিক ৮টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন গোগাউড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার মামলা নং-১১, তারিখ: ২২/১১/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৩০২/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৩৮৯/৫০৬(২)/১১৪/৩৪, পেনাল কোড, ১৮৬০-এর
এজাহারনামীয় ১নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

 

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ এহিয়া-০২