ছবি: সংগৃহিত
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মানিককোনা এলাকায় বড়খালের উপর প্রায় ৪কোটি টাকার নির্মাণাধীন কালভার্ট নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের আপত্তি ও দাবির প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সড়ক ও জনপথ বিভাগ কালভার্টটি পরিদর্শন করেছেন।
জানা যায়, এ কালভার্ট দিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ -মানিককোনা- মীরগঞ্জ- গোলাপগঞ্জ যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের চলাচল এ সড়ক ধরে।
সম্প্রতি সওজ সিলেট মানিককোনা বড়খালের উপর কালভার্ট নির্মান শুরু করে। বিপত্তি বাধে কালভার্টটির কাজ শুরু হয়ে সড়ক সমান উঠার পর!
স্থানীয়দের দাবি, কালভার্টটি নিচু করে তৈরি করা হচ্ছে। যে কারনে এর নিচ দিয়ে নৌকা চলাচল তো করবেই না পানি চলাচল করে কি না সন্দেহ!
কালভার্টটি উচু করতে বিগত কয়েক দিন থেকে সরব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও।বিষয়টি উত্তেজনায় রূপ নেওয়ার আগে হস্তক্ষেপ করেন স্থানীয় উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবজাল হোসেন।
উনার মাধ্যমে আজ মঙ্গলবার সওজ এর নির্বাহী প্রকৌশলী খায়রুল বাশার মো:সাদ্দাম হোসেন ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল আহমেদ কালভার্টটি পরিদর্শনে আসেন।
উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবজাল হোসাইন বলেন, এই কালভার্টের উচুকরণ নিয়ে স্থানীয় ভাবে দাবি উঠছিলো। আজ সওজ এর ইঞ্জিনিয়াররা এসেছেন। তাদের কাছে সমাধান দাবি করেছি।
সওজ’র প্রকৌশলীরা সরেজমিনে স্থানীয়দের দাবি তারা পর্যবেক্ষণ করে বলেন, কালভার্টটি আর উচু হলে এর দুই মাথাও লম্বা হবে দুই পারে সে জায়গা নেই! কালভার্টের দুই মাথায় মানুষের বাড়ি রয়েছে।
সেক্ষেত্রে যে ভাবে আছে সে ভাবে উচু করলে কালভার্টের মাঝখান উচু হয়ে যাবে যা যানবাহনের জন্য ঝুকিপূর্ণ হতে পারে।
তারা বলেন, ঢাকার ডিজাইন টিম যে ডিজাইন করেছে সেভাবে কাজ হচ্ছে। এখন আরো উচু করতে হলে ঐ টিম লাগবে। তারা ম্যাজারমেন্ট করে জানাবে কি করনীয়। আমরা টিম কল করবো আপাতত কাজ বন্ধ থাকবে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ফরিদ/ইকে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.