স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, “রিয়ার এ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান জনমানবের কল্যাণে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন। কর্মজীবনে নৌবাহিনী প্রধান এবং যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তাঁর অবদান অপরিসীম। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শশুড়বাড়ি হওয়ায় এই এলাকাকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের বাবা রিয়ার এ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের নামে সিলেটের চন্ডিপুলের গোলচত্বরের নাম করণ করা হবে। তিনি বাংলাদেশের সম্পদ বাংলাদেশের সকল প্রতিযশা ব্যক্তিদের নামে সমগ্র বাংলাদেশে এসব ব্যক্তিদের স্মৃতি ধরে রাখতে এরকম কাজ করা হবে।”
তিনি আরো বলেন, “শিশু পার্ক নির্মাণ, হাসপাতাল নির্মাণ অবকাঠামোগত উন্নয়নে রিয়ার এ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের নামে কিছু স্মৃতি ফলক নির্মাণ করা হবে। এই কার্যক্রম সফল করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।”
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাদ যোহর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ, যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের গ্রামের বাড়ি বিরাহিমপুরে পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মরহুমের ভাতিজা এবং খান বাহাদুর ডাঃ আসাদ্দর আলী খান ওয়াকফ এস্টেটের মুতাওয়াল্লী বাবর আলী খাঁন এর সভাপতিত্বে ও আছাদ উদ্দীন আছাদ এবং সুহেল ইবনে রাজার যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জিল্লুর রহমান, এসএমপি কমিশনার সরোয়ার মুর্শেদ শামীম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাব উদ্দিন, মরহুমের ভাতিজা নাছির আলী খাঁন, নাহিদ আলী খাঁন, সাংবাদিক শিহাব আহমদ, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম তুরন, লোকমান আহমদ, রাসেল আহমদ রাসেল সহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ, সিলেট জেলা, মহানগর, উপজেলা বিএনপি, যুবদল ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল সহ সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বাদ আসর পরিবারের পক্ষ থেকে হযরত শাহজালাল দরগা (রহ.), শাহপরাণ মাজার (রহ.) ও লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় দোয়া মাহফিল ও শিরনী বিতরণ করা হয়।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-০৮
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.