ছবি: সংগৃহিত
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা এলাকায় প্রায় ৬ বছর আগে লিজের মাধ্যমে উত্তোলিত পাথর অবমুক্ত করে স্থানান্তরের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর আবেদন করা হয়েছে। এই আবেদন করেছেন উৎমা এলাকার পাথর মালিকেরা।
এছাড়া এই পাথর নিলামে বিক্রি না করতে রবিবার (৯ আগস্ট) এলাকাবাসী এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।
গত ১৩ জুলাই খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান সহ উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালানা করে উৎমা এলাকার ৯৪ হাজার ৩৯০ ফুট পাথর জব্দ করেন। ১০ আগস্ট সেই পাথর নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের নোটিশ প্রদান করেছেন।
নিলামের মাধ্যমে এই পাথর বিক্রি না করতে ৯ আগস্ট এলাকাবাসী মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেন।
আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, তারা পাথর মহাল থেকে বিগত ১৪২৬-১৪২৭ বাংলা সালে বৈধ ইজারাকালীন সময়ে ইজারাদারকে রয্যেলিটি প্রদানের মাধ্যমে পাথর উত্তোলন করে বেশি লাভের আশায় পরবর্তীতে বিক্রির উদ্দেশ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের বনপুর, গুচ্ছগ্রাম ও মাঝেরগাঁও এলাকায় স্তূপ আকারে পাথর সংরক্ষণ করেছিলেন। পরিবেশ প্রতিবেশের ক্ষতির কারণ দেখিয়ে প্রশাসন কর্তৃক পাথর মহাল ইজারা স্থগিত করায় এবং পরবর্তীতে আর পাথর মহাল ইজারা না দেয়ায় আমাদের মালিকাধীন স্তূপকৃত পাথর পরিবহনে স্থানীয় প্রশাসন বাঁধা দেয়াতে আমরা এই পাথর দীর্ঘদিন যাবত বিক্রি বা স্থানান্তর করতে পারছিনা।
তারা উল্লেখ করেন, বিভিন্ন ব্যক্তি ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সংগৃহিত পাথর বিক্রি বা স্থানান্তর করতে না পারায় আমরা বর্তমানে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এরই মধ্যে বিগত ১৩ জুলাই খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হানসহ উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালানার মাধ্যমে আমাদের প্রায় ৯৪ হাজার ৩৯০ ফুট পাথর জব্দ করেন, যা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের নোটিশ প্রদান করেছেন। এই পাথর নিলামে বিক্রি করলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে যাবেন।
তারা আরো উল্লেখ করেন মানবিক কারণে বৈধ ইজারা মেয়াদে বৈধ রয়ালিটি প্রদানের মাধ্যমে উত্তোলিত স্তুপাকারে সংরক্ষিত পাথর নিলামে বিক্রি না করে জব্দকৃত পাথর অবমুক্ত করে তাদের জিম্মায় ফেরত প্রদান ও স্থানান্তরের আবেদন করেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/জলিল/ইকে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.