ছবি: সংগৃহিত
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের মকরমপুর গ্রামের শাহ্ বাড়ির বাসিন্দা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী, ফটিক মিয়া ২৫ বছর রেফারী সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হয়েছেন।
গত ১ আগস্ট সাউথহামপটন হিলটন হোটেল এক জাকজমকপূর্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, হামপশিয়ার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃপক্ষের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে প্রথম। ইতোমধ্যে নর্থ হামপশিয়ার ডিভিশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ফুটবলার ও রেফারী হিসেবে ৩০ বছর সংশ্লিষ্ট থাকায় এ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনি।
ফটিক মিয়া ১৯৯৭ সালে ক্লাস ৩ রেফারির যোগ্যতা অর্জন করেন। এরপর ২০০০ সালে ক্লাস ২ এবং ২০০১ সালে ক্লাস ১ রেফারি হিসেবে পদোন্নতি পান।
হ্যাম্পশায়ার লীগ এবং সাবার্বান লীগে তিনি রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি ইস্থমিয়ান লীগ,সাউদার্ন লীগ,ন্যাশনাল লীগ সাউথ(সহকারী রেফারী)।এফ,এ, ইয়ুথ কাপ,এফ,এ, একাডেমি লীগ,ওমেনস ফুটবল লীগ (হামপশিয়ার লীগ ও সাউথ এন্ড রিজিওনাল লীগ )সহ অন্যান্য স্থানীয় লিগে রেফারি হিসেবেও কাজ করেছেন।
ফটিক মিয়া রেফারিং ক্যারিয়ার অত্যন্ত উজ্জ্বল। তিনি দ্য এফএ ট্রফি, এফএ কাউন্টি ইয়ুথ কাপের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। একবার এফএ ভেস-এর পঞ্চম রাউন্ডেও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি এফএ কাপের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন, এফএ-এর প্রিমিয়ার রিজার্ভ লীগেএবং ন্যাশনাল কনফারেন্স লীগে— যা এখন ন্যাশনাল লীগ প্রিমিয়ার ডিভিশন নামে পরিচিত ফোর্থ অফিসিয়াল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর পাশাপাশি অসংখ্য হ্যাম্পশায়ার এফএ কাপ ফাইনাল এবং স্থানীয় লীগের ফাইনালও তিনি পরিচালনা করেছেন।
বর্তমানে ফটিক মিয়া ওয়েসেক্স লীগে অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হ্যাম্পশায়ার এবং তার বাইরেও ফুটবলের জন্য দশকের পর দশক ধরে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন,রেফারীর পাশাপাশি তিনি একজন সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী বাংলাদেশী কমিউনিটির একজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব, ইতিমধ্যে বেজিংষটক রেফারী এসোসিয়েশন এর সভাপতি(সাবেক )হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/ইকে
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.