ফজলে রাব্বী একজন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি। উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরি প্রদেশের রাজধানী ডারউইন শহরে বসবাস করেন তিনি। কাজ ও ক্লাস বাদ দিয়ে বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য জয় উপভোগ করেছেন তিনি।
এরপর ফজলে রাব্বী তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, 'অভিনন্দন বাংলাদেশকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় লাভের জন্য। অনেক কাজকর্ম এবং ব্যস্ততা রেখে লাস্ট কয়েকদিন চেষ্টা করেছি বাংলাদেশ টিমকে সমর্থন দেওয়ার জন্য। লাস্ট চারদিন সেশন বাই সেশন যেরকম ডমিনেন্ট করে খেলেছে তাতে এই জয় তাদের প্রাপ্য এবং আজকের এই ঐতিহাসিক জয়লাভের অংশ হতে পেরে সত্যিই গর্বিত সব বাংলাদেশি অস্টেলিয়াতে।'
শুধু ফজলে রাব্বীই নয়, অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরিতে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা অনেকেই স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা উপভোগ করেছেন। তাদের মধ্যে একজন ইকবাল হোসেন।
তিনি তাঁর স্ট্যাটাসে লিখেছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে যখন কিছু ডাইরেক্টর আসলেন একদল অপাংক্তেয়, ডিরেক্টরদের নিজস্ব কোয়ালিফিকেশন্স বা অন্যান্য যোগ্যতা না দেখে তাঁদেরকে খুব বাজে ভাবে অ্যাটাক করল। এদের ভেতর Sayeed Ibrahim Ahmed ভাই একজন। উনি একজন একাডেমিক, সংগঠক, এন্ড An alumnus of Imperial College London. কিন্তু আমাদের দেশের একটা সেগমেন্ট আছে যারা সব কিছুতেই দোষ খুঁজে বেড়াবে। উনারা চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, বোর্ডে গিয়েছেন শত সহস্র ট্রোলে শিকার হয়েও, কারণ উনারা জানেন উনারা কাঁজ করবেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতির জন্য, বাংলাদেশের জন্য। কারণ উনাদের কাছে- “ সবার আগে বাংলাদেশ"।
তিনি আরো লিখেন, সমালোচনার জবাব কাজের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অপাংক্তেয় সেগমেন্টটাকে পরশ্রীকাতরতার অনলে পুড়িয়ে মারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আপনার জন্য শুভ কামনা।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক ও অবিশ্বাস্য এক টেস্ট জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ডারউইনে অজিদের বিপক্ষে এই জয়ে তানজিদ হাসান তামিমের দারুণ সেঞ্চুরি, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাজমুল হোসেন শান্তর দায়িত্বশীল ব্যাটিং এবং বোলারদের অসাধারণ নৈপুণ্যে ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য টপকে বাংলাদেশ বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছে।
সিলেটভিউ/খলিল/এসডি-০১
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.