ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবীর ও সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বাংলাদেশের দুর্যোগ মুহূর্তে কান্ডারী, একদলীয় শাসনের একমাত্র প্রতিবাদকারী জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণী ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়।
কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বাদ জোহর শাহজালাল দরগাহ প্রাঙ্গণে ওসমানীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পন, ফাতেহা পাঠ ও কবর জিয়ারত। বিকালে ওসমানীর কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।
সংসদের উপদেষ্টা, ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম বকুল।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন এম এ আলী জালালাবাদী, জুলাইযোদ্ধা মারজান, জুলাইযোদ্ধা গৗছ আলম রুহেল, জুলাইযোদ্ধা মামুন আহমদ, মোহাম্মদ জাহিদ নুর, মোহাম্মদ মোশাহিদ আলী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের নেতৃস্থায়ী ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে জেনালে ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী রাষ্ট্্রীয় ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানিয়ে বলেন, বঙ্গবীর ওসমানী ছিলেন সৎ ও আদর্শের রাজনীতির অগ্রপথিক। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশিত ভূখণ্ড স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ লাভে অসামান্য অবদান রেখেছেন ওসমানী। একাত্তরের দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে যার রণকৌশল ও নেতৃত্বে আমরা অর্জন করেছি লাল সবুজের পতাকা। আজকের দিনে বঙ্গবীর ওসমানীর মত দেশপ্রেমিক মানুষের বড়োই প্রয়োজন। তাঁকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতার ইতিহাস অসম্পূর্ণ রয়েছে। তিনি নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার স্বার্থে মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী’র বর্ণঢ্য জীবনী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবী জানান।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/প্রেবি/এসডি-১৪
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.