প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪০ (শনিবার)
ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সং*ঘ*র্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

সিএনজি অটোরিকশার সঙ্গে দ্রুতগতির ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সোহাগ (২৮) ও সোনিয়া আক্তার (২৫) নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত সোনিয়া আক্তারের সাত বছরের ছেলে সাজিদ ও অটোরিকশাচালক হারুন।
 

আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর ঢাকা বাইপাসের রহমতপুর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
 

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, সকালে ফুলবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা ময়মনসিংহ শহরের দিকে যাচ্ছিল। অটোরিকশাটি রহমতপুর বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজি অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে অটোরিকশায় থাকা সোহাগ ও সোনিয়া আক্তার ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় সোনিয়ার ছেলে সাজিদ ও অটোরিকশাচালক হারুন গুরুতর আহত হন।
 

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান। আহত সাজিদ ও হারুনকে একই হাসপাতালে ভর্তি করান।

প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলাম বলেন, `দুর্ঘটনাটি খুবই ভয়াবহ ছিল। মুহূর্তের মধ্যে বিকট শব্দে ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। আমি ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলাম। আমার চোখের সামনেই দুইজন মানুষ গুরুতর আহত হয়ে পড়ে থাকতে দেখি। পরে তাদের আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।'
 

দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও এর নম্বর শনাক্ত করেছে পুলিশ। ট্রাক এবং চালককে আটক করতে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, `ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি পালিয়ে গেলেও এর নম্বর পাওয়া গেছে। ট্রাকটি ও চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।'

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-০৪