প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৯ (শনিবার)
জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ পেলেন শাবিপ্রবির ২৫ শিক্ষার্থী

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২৫ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ-২০২৬ পেয়েছেন, যা জাতিসংঘ একাডেমিক প্রভাব (ইউএনএআই) ও মিলেনিয়াম ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (এমসিএন) যৌথভাবে পরিচালিত একটি নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ।
 

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

জানা গেছে, এ বছর বিশ্বের ১৭০টি দেশ থেকে প্রায় ৭৬ হাজার শিক্ষার্থী ফেলোশিপের জন্য আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে মাত্র ৪০টি দেশের ৩৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন, যা মোট আবেদনকারীর মাত্র ৫ শতাংশ। এই প্রতিযোগিতায় শাবিপ্রবির ২৫ শিক্ষার্থী জায়গা করে নিয়েছেন।
 

শাবিপ্রবি থেকে জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ প্রাপ্তরা হলেন, অর্থনীতি বিভাগের আবু ইয়াসিন ও শাহরিয়ার হোসেন, খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি বিভাগের আবদুল্লাহ আল নাদরুন, সমাজকর্ম বিভাগের তামান্না আক্তার, সাদিয়া আক্তার ও সৈয়দা রুকসানা আক্তার; সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ইয়াছিন আরাফাত; ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ থেকে উদয় গোপ; নৃবিজ্ঞান বিভাগ থেকে লায়লা আক্তার লাভলী, জান্নাতুল ফাতেহা নাদিয়া, বিদিপ্তা সরকার ও হুমায়ারা হাবিবা।
 

এছাড়াও রয়েছেন, সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অমিত লাল মুখার্জী; রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মুমু দে, মো. মিনহাজুল আবেদীন মিরন ও মো. সাদেক হোসাইন; লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে ফাবিহা আক্তার জান্নাত ও সাকের আহমেদ নাবিল; গণিত বিভাগ থেকে কাজী তাসমিয়া বিনতে ইমাম তিশা ও অংকন সিনহা; বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান আবদুল্লাহ আল নাদরুন; স্থাপত্য বিভাগ থেকে জান্নাত আরা সিনথিয়া; পেট্রোলিয়াম ও খনন প্রকৌশল তাহসিনুল হক নাবিল ও তাসফিন আহমেদ; বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান শ্রাবনী ভৌমিক; এবং বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগ থেকে মাহমুদ হাসান সিফাত। এ প্রোগ্রামে ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের তামান্না আক্তার।
 

সংশ্লিষ্টরা বলেন, শিক্ষার্থীদের এই অর্জন বৈশ্বিক পর্যায়ে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। নির্বাচিতরা ফেলোশিপ চলাকালে নিজ নিজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দারিদ্র্য বিমোচনসহ নানা খাতে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করবেন। একইসঙ্গে তারা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কার্যকর অবদান রাখবেন।

তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সক্রিয় ভূমিকা রাখাই এ ফেলোশিপের মূল উদ্দেশ্য।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/আতহার/এসডি-০৯