১৮৭৮ সালে গঠিত হয়েছিল সিলেট পৌরসভা। কালের পরিক্রমায় ২০০২ সালে পৌরসভাটি উন্নিত হয় সিলেট সিটি করপোরেশনে। এরপর নগরভবনে মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন তিন নগরপিতা। বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, আরিফুল হক চৌধুরী ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বসেছেন মেয়রের চেয়ারে। তাদের দায়িত্বপালনকালীন সময়ে নগরভবনে সংবর্ধিত হয়েছেন অনেক গুণীজন। তবে এবার নাগরিক সংবর্ধনা দিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হলেন বর্তমান প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী।
প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তিনি নগরভবনে সংবর্ধনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। কোন একজন মেয়র বা প্রশাসকের দায়িত্বকালীন সময়ে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার রেকর্ড এর আগের কোন মেয়র বা প্রশাসকের ছিল না। সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরীর হাত ধরেই সৃষ্টি হলো এ ইতিহাস।
জানা গেছে, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। ২৩ ফেব্রুয়ারি সিসিকের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী। দলের প্রতি আনুগত্য ও ত্যাগের পুরস্কার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে এ দায়িত্ব দেন।
প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই মাসের মধ্যে ২ মে সিলেট সফরে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটাই ছিল তারেক রহমানের প্রথম সিলেট সফর। ওই সফরকালে আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী সিসিকের পক্ষ থেকে নগরভবনে প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করেন।
আর সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফরে আসেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সিলেট সফরে এসে সংবর্ধিত হন রাষ্ট্রপতিও। নগরভবনে ঝমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে নাগরিক সংবর্ধনা দেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী।
মাত্র সাড়ে চার মাসের মধ্যে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানকে নাগরিক সংবর্ধনা দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। এছাড়া নগরবাসীও মনে করছেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধিত করায় সিলেটের গৌরব বেড়েছে। এর মধ্য দিয়ে সিলেটের উন্নয়ন কর্মকান্ডও ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করছেন তারা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/আশিক/শাদিআচৌ
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.